× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১০:১৫ পিএম

ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ অবৈধ : মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১০:১৫ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের অন্যতম বিতর্কিত পদক্ষেপ সর্বজনীন শুল্ক বা গ্লোবাল ট্যারিফ নীতিকে অবৈধ ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। 

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক ঐতিহাসিক রায়ে আদালত জানিয়েছে, জরুরি অবস্থার দোহাই দিয়ে কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া এককভাবে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর এই বিশাল শুল্ক আরোপ করে প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। 

প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ৬-৩ ভোটে এই রায় দেয়। রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৭৭ সালের ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (আইইইপিএ) প্রেসিডেন্টকে এমন কোনও ক্ষমতা দেয় না, যার মাধ্যমে তিনি এককভাবে শুল্ক আরোপ করতে পারেন।

বিচারপতি রবার্টস তার পর্যবেক্ষণে বলেছেন, প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট অনুমোদনের প্রমাণ দিতে হবে, যা তিনি পারেননি।

২০২৫ সালের শুরুতে ক্ষমতা গ্রহণের পর ট্রাম্প চীন, কানাডা ও মেক্সিকোসহ প্রায় সব দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন। একে তিনি ‘লিবারেশন ডে’ ট্যারিফ হিসেবে অভিহিত করেন। 

পেন-ওয়ার্টন বাজেট মডেলের অর্থনীতিবিদদের মতে, এই আইনের অধীনে এ পর্যন্ত ১৭৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি শুল্ক সংগ্রহ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের ফলে এখন ব্যবসায়ীদের এই বিশাল অংকের অর্থ ফেরত দিতে হতে পারে।

ট্রাম্প এই শুল্ককে মার্কিন অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য বলে বর্ণনা করে আসছিলেন। তার মতে, এই শুল্ক না থাকলে বিশ্বের বাকি দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে ‘হাসাহাসি’ করত। তবে আদালতের রায়ের পর তিনি বিকল্প ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিয়েছেন। 

এর আগে নভেম্বরেই তিনি বলেছিলেন, আদালতের রায় বিপক্ষে গেলে তার কাছে ‘গেম টু’ বা বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি রয়েছে।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা এখন অন্য কিছু আইনের আশ্রয় নেবেন। এর মধ্যে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে শুল্ক আরোপের ধারা এবং বিদেশি ‘অন্যায্য’ বাণিজ্য নীতির বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থার সুযোগ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

ট্রাম্পের এই শুল্ক যুদ্ধের ফলে বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্ররাও ক্ষুব্ধ ছিল। ১২টি অঙ্গরাজ্য এবং বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই শুল্কের বিরুদ্ধে আদালতে গিয়েছিল।

ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল রব বোন্টা জানিয়েছেন, এই শুল্কের কারণে কেবল তার রাজ্যেই ২৫ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি এবং ৬৪ হাজার মানুষ কর্মহীন হওয়ার ঝুঁকিতে ছিলেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!