× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১১:১৭ এএম

এপস্টেইন কেলেঙ্কারির জেরে

গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা পরই মুক্তি পেলেন ম্যান্ডেলসন

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১১:১৭ এএম

বাড়ি ছাড়ছেন ম্যান্ডেলসন। ছবি : সংগৃহীত

বাড়ি ছাড়ছেন ম্যান্ডেলসন। ছবি : সংগৃহীত

সরকারি দপ্তরে অসদাচরণের অভিযোগে গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত লর্ড ম্যান্ডেলসন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) উত্তর লন্ডনের ক্যামডেন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন তিনি।  

 

যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক ঘিরে ম্যান্ডেলসনের বিরুদ্ধে নানা অসদাচরণের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে জানায় পুলিশ।

এ ঘটনায় মেট্রোপলিটন পুলিশ তাদের নীতিমালা অনুযায়ী সরাসরি ম্যান্ডেলসনের নাম উল্লেখ করেনি। তারা বলেছে, ৭২ বছর বয়সি এক ব্যক্তিকে ‘সরকারি দায়িত্বে থাকাকালে অসদাচরণের সন্দেহে’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লন্ডনের একটি পুলিশ স্টেশনে নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের সংবাদপত্র দ্য টাইমস-এ প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, খাকি প্যান্ট, ধূসর সোয়েটার ও গাঢ় রঙের জ্যাকেট পরা পিটার ম্যান্ডেলসনকে একজন সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্য একটি গাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।

পরে মেট্রোপলিটন পুলিশ বলেছে, ৭২ বছর বয়সি ওই ব্যক্তিকে পরবর্তী সময়ে তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে ম্যান্ডেলসনকে বরখাস্ত করে ব্রিটিশ সরকার। তবে ৭২ বছর বয়সি ম্যান্ডেলসন এখনো ব্রিটিশ উপাধি ‘লর্ড’ ধারণ করছেন।

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রয়াত এপস্টেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লাখ লাখ নথি প্রকাশ করার পর নতুন করে বিতর্কের মধ্যে পড়েন ম্যান্ডেলসন।

নথিতে থাকা বিভিন্ন ই–মেইল থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, এই দুজনের সম্পর্ক ধারণার চেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ ছিল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনের আমলে মন্ত্রী থাকাকালে ম্যান্ডেলসন এপস্টেইনের সঙ্গে কিছু তথ্যও ভাগাভাগি করেছিলেন বলে নথিতে উল্লেখ আছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে ম্যান্ডেলসন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন। একই সঙ্গে তিনি পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসের সদস্য পদও ছেড়ে দেন।

এর আগে এপস্টেইনের সঙ্গে অতীতের সম্পর্কের জন্য ‘গভীরভাবে অনুতপ্ত’ বলে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন ম্যান্ডেলসন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!