× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০১:০৩ পিএম

পুরো পরিবার নিহত

যেভাবে ইসরায়েলি হামলা থেকে বেঁচে যান মোজতবা

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০১:০৩ পিএম

মোজতবা খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

মোজতবা খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রথম দিনে নিহত হন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। হামলার কয়েক মিনিট আগে খামেনির বাসভবনের বাগানে হাঁটতে বের হয়েছিলেন দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকার হাতে আসা একটি ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডিং থেকে এই বিবরণ জানা গেছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে ইসরায়েলের ব্লু স্প্যারো ব্যালিস্টিক মিসাইল খামেনির বাসভবনে আঘাত করে। ঠিক সেই মুহূর্তে মোজতবা ‘কিছু একটা করতে’ বাগানে ছিলেন। আলি খামেনির দপ্তরের প্রোটোকল প্রধান মাজাহের হোসেইনির একটি বক্তব্যের রেকর্ডিং ফাঁস হয়েছে। ১২ মার্চ তেহরানের কোলহাক এলাকায় সিনিয়র ধর্মীয় নেতা ও আইআরজিসি কমান্ডারদের সামনে দেওয়া এই বক্তব্যই হামলার ভেতরের প্রথম বিস্তারিত বিবরণ।

হোসেইনি জানান, মোজতবা খামেনি হামলায় পায়ে সামান্য চোট পেয়েছেন। তবে তার স্ত্রী হাদ্দাদ তাৎক্ষণিকভাবে নিহত হয়েছেন এবং তাদের ছেলেও মারা গেছেন।

রেকর্ডিংয়ে হোসেইনি বলেন, ‘আল্লাহর ইচ্ছা ছিল যে মোজতবাকে কিছু একটা করতে উঠানে যেতে হবে। তিনি বাইরে ছিলেন এবং উপরে যাচ্ছিলেন, তখনই তারা মিসাইল দিয়ে ভবনে আঘাত করে। তার স্ত্রী মিস হাদ্দাদ তাৎক্ষণিকভাবে শহীদ হয়েছেন।’

খামেনির শ্যালক মিসবাহ আল-হুদা বাগেরি কানির বাড়িতেও মিসাইল আঘাত করে। হোসেইনি বলেন, ‘মিসাইল এত শক্তিশালী ছিল যে এটি নিচে মিসবাহর ঘরে গেল। মিসাইলগুলো এমনভাবে আঘাত করল যে তার মাথা দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেল।’

মোজতবার ভাই মোস্তাফা ও তার স্ত্রী তৃতীয় একটি বাড়িতে ‘কাছেই’ ছিলেন। হোসেইনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ কিছু ধুলো ও ধ্বংসস্তূপ পড়েছিল, কিন্তু তারা অক্ষত বেরিয়ে আসেন।’

আলি খামেনির সামরিক দপ্তরের প্রধান মোহাম্মদ শিরাজির মৃত্যু নিয়েও ভয়াবহ বিবরণ আছে। হোসেইনি বলেন, ‘এই প্রিয় মানুষটির কাছে সব সামরিক কর্মকর্তার তথ্য ছিল। শত্রু জানত তাই সর্বোচ্চ নেতাকে আঘাত করার পাশাপাশি তাকেও আঘাত করতে হবে। তাকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলা হয়েছে। তার কাছ থেকে কিছুই পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত কয়েক কিলো মাংস পাওয়া গেছে এবং সেটি দিয়েই তার পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে।’

ফাঁস হওয়া এই অডিও এমন সময়ে আসল যখন মোজতবার আঘাত ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সোমবার ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা জানি না সে বেঁচে আছে কি না।’ একজন ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সামরিক কমান্ডারদের কাছেও সর্বোচ্চ নেতার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই।

মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, আলি খামেনি তার ছেলেকে উত্তরাধিকারী হিসেবে যোগ্য মনে করতেন না। সিবিএস নিউজের তথ্যমতে, তিনি মোজতবাকে ‘খুব বেশি বুদ্ধিমান নয়’ ও ‘নেতৃত্বের অযোগ্য’ বলে বিবেচনা করতেন।

ট্রাম্প শুক্রবার বলেছেন, ‘তাদের নেতৃত্ব চলে গেছে। দ্বিতীয় নেতৃত্বও চলে গেছে। এখন তৃতীয় নেতৃত্ব বিপদে আছে। এমন কেউ যাকে বাবাও চাননি।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!