× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম

অং সান সু চির সাজা কমাল মিয়ানমারের জান্তা সরকার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি কারাবন্দি নেত্রী অং সান সু চি। ছবি- সংগৃহীত

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি কারাবন্দি নেত্রী অং সান সু চি। ছবি- সংগৃহীত

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি কারাবন্দি নেত্রী অং সান সু চির সাজা আংশিক কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সামরিক শাসকগোষ্ঠী। দেশটির প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং-এর এই সিদ্ধান্তে তার মোট ২৭ বছরের কারাদণ্ডের প্রায় এক-ষষ্ঠাংশ, অর্থাৎ সাড়ে চার বছর হ্রাস করা হয়েছে বলে আইনজীবীর বরাতে জানা গেছে।

তবে সাজা কমানো হলেও ৮০ বছর বয়সি এই নোবেলজয়ী নেত্রী এখনো মুক্তি পাননি। তাকে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরেই তিনি জনসমক্ষে অনুপস্থিত।

সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, রাষ্ট্রদ্রোহে উসকানি, নির্বাচনি অনিয়ম এবং রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন ভঙ্গসহ একাধিক অভিযোগে দণ্ড দেওয়া হয়েছিল। যদিও তার সমর্থক ও আন্তর্জাতিক মহল এসব মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে।

২০২০ সালের নির্বাচনে সু চির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) বিপুল বিজয় অর্জন করে ক্ষমতায় আসে। তবে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার উৎখাত করে সেনাবাহিনী। ওই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন তখনকার সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং, যিনি পরে সামরিক সরকারের প্রধান এবং সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন।

অভ্যুত্থানের পর সু চি তার দলীয় নেতাকর্মী এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বড় একটি অংশকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করে সামরিক আদালতে বিচার চালানো হয়।

এদিকে মিয়ানমারের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ ‘থিনগিয়ান’ উৎসব উপলক্ষে সরকার ৪ হাজার ৩৩৫ জন বন্দির জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে। এই তালিকায় সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট-সহ কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুক্তি পেলেও সু চি এতে অন্তর্ভুক্ত হননি।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ ক্ষমার আওতায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের সাজা ৪০ বছরে নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ছয় মাসে এটি তৃতীয় দফা বন্দিমুক্তির ঘটনা হলেও প্রতিবারই সু চি এর বাইরে রয়েছেন।

মানবাধিকার সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিকাল পরিসনেস জানিয়েছে, ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত সু চি ও উইন মিন্টসহ ৩০ হাজারের বেশি মানুষকে রাজনৈতিক কারণে আটক করা হয়েছে।

অন্যদিকে চলমান সংঘাত ও গৃহযুদ্ধের কারণে দেশটিতে মানবিক পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ৩৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে কঠিন জীবনযাপন করছে।

সূত্র: রয়টার্স

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!