× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৩, ২০২৬, ০২:১৬ পিএম

জার্মানি থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা ওয়াশিংটনের, ব্যাখ্যা চায় ন্যাটো জোট

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৩, ২০২৬, ০২:১৬ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

জার্মানিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর ঘোষণায় ইউরোপজুড়ে নতুন করে কৌশলগত উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস, তবে ন্যাটো বলছে, তারা এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে পরিষ্কার ব্যাখ্যা চাইবে।

জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামোয় বিশেষ করে জার্মানিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি শুধু ইউরোপ নয়, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গেও জড়িত। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, ইউরোপকে এখন নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও বড় ভূমিকা নিতে হবে এবং বার্লিন মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াবে।

বর্তমানে জার্মানিতে ৩৬ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, যা ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই সংখ্যা থেকে অন্তত পাঁচ হাজার, এমনকি তারও বেশি সেনা প্রত্যাহার করা হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়নি।

ন্যাটোর মুখপাত্র অ্যালিসন হার্ট জানিয়েছেন, সিদ্ধান্তটির পূর্ণ বিবরণ জানতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপ ইউরোপীয় দেশগুলোর জন্য প্রতিরক্ষায় আরও বেশি বিনিয়োগ এবং যৌথ নিরাপত্তায় বড় অংশীদার হওয়ার প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে এসেছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অনেক বিশ্লেষক ইউরোপ থেকে সামরিক গুরুত্ব কমিয়ে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত অগ্রাধিকার স্থানান্তরের অংশ হিসেবে দেখছেন। এর আগে রোমানিয়াতেও মার্কিন সেনা উপস্থিতি কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

এদিকে ৩২ সদস্যের ন্যাটো জোটের ভেতরে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপ জোটের প্রতিরোধ সক্ষমতাকে দুর্বল করতে পারে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক সতর্ক করে বলেছেন, ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের সবচেয়ে বড় বিপদ বাইরের শত্রু নয়, বরং জোটের অভ্যন্তরীণ বিভক্তি।

যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের দুই জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা সিনেটর রজার উইকার ও প্রতিনিধি মাইক রজার্সও সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, ইউরোপে শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

জার্মানির সামরিক ব্যয় নিয়েও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় পরিবর্তন এসেছে। আগে ন্যাটোর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার নিচে থাকলেও, বর্তমান সরকার প্রতিরক্ষা খাতে বড় বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের মধ্যে দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির ৩ শতাংশের বেশি হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নয়, বরং ন্যাটোর ভবিষ্যৎ কাঠামো, ইউরোপীয় নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যের ওপরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: বিবিসি

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!