× UCB Sticker Card
শনিবার, ০৬ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৬, ২০২৬, ০৫:৫৭ এএম

ইরান যুদ্ধে আজারবাইজানে ইসরাইলের গোপন ঘাঁটির সন্ধান দিলো সিএনএন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৬, ২০২৬, ০৫:৫৭ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় মুসলিমপ্রধান আজারবাইজানের ভূখণ্ড ব্যবহার করে গোপন সামরিক ও গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ইসরাইল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিস্তৃত একটি গোপন নিরাপত্তা নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের উত্তর সীমান্তসংলগ্ন দক্ষিণ আজারবাইজানের কয়েকটি এলাকায় ইসরাইলের বিশেষ বাহিনী ও গোয়েন্দা সদস্যরা অবস্থান নিয়েছিল। এসব স্থানের কিছু ইরানের গুরুত্বপূর্ণ শহর তাবরিজ থেকে তুলনামূলক স্বল্প দূরত্বে অবস্থিত। সংঘাত চলাকালে তারা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, ড্রোন পরিচালনা এবং বিশেষ ধরনের সামরিক অভিযানে অংশ নেয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, মোতায়েনকৃত সদস্যদের মধ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনাকারী ইউনিট, আকাশপথে পরিচালিত উদ্ধার ও যুদ্ধ সক্ষম বাহিনী এবং মোসাদের কর্মকর্তারাও ছিলেন। শুরুতে জরুরি উদ্ধার কার্যক্রমের প্রস্তুতির জন্য এসব অবস্থান ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকলেও পরে সেগুলো গোয়েন্দা ও সামরিক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সিএনএনের তথ্যমতে, শুধু আজারবাইজান নয়, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সোমালিল্যান্ডেও গোপন সামরিক উপস্থিতি গড়ে তুলেছিল ইসরাইল। এসব অবস্থান ইরানের বিভিন্ন দিক ঘিরে কৌশলগত সুবিধা সৃষ্টি করে, যা দূরপাল্লার অভিযান ও ধারাবাহিক হামলা পরিচালনায় সহায়ক ভূমিকা রাখে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে আজারবাইজানের দূতাবাস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, কোনো তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহারের দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী এলাকা সোমালিল্যান্ড ইসরাইলকে একটি সামরিক অবস্থান ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছিল, যা ইরানমুখী দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইটের সম্ভাব্য যাত্রাবিরতি হিসেবে বিবেচিত হয়। পাশাপাশি সংঘাতের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং তা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানবিরোধী কৌশল বাস্তবায়নে দীর্ঘদিন ধরেই আজারবাইজানকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখে আসছে ইসরাইল। দুই দেশের মধ্যে সামরিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতার পাশাপাশি জ্বালানি ও অস্ত্র বাণিজ্যও উল্লেখযোগ্য। আজারবাইজান থেকে তেল সংগ্রহের পাশাপাশি দেশটিকে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও অস্ত্র সরবরাহ করে থাকে ইসরাইল।

সিএনএনের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, যুদ্ধ শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে ইরান-আজারবাইজান সীমান্ত এলাকায় নজরদারি সরঞ্জাম ও শ্রবণযন্ত্র স্থাপনের মাধ্যমে একটি গোপন অভিযান চালানো হয়। এর লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ সম্পর্কে আগাম তথ্য সংগ্রহ করা।

পর্যবেক্ষকদের মতে, বিভিন্ন দেশের ভূখণ্ডে ইসরাইলের গোপন সামরিক উপস্থিতির এই তথ্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং ইরানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আঞ্চলিক নিরাপত্তা কৌশলের নতুন দিক উন্মোচন করেছে।

সূত্র: সিএনএন

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!