লেবাননে সামরিক অভিযানের প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলকে পাল্টা হামলা চালাতে নিষেধ করেছিলেন। তবে ট্রাম্পের অনুরোধ উপেক্ষা করেই ইরানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ইরানের মধ্যাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে হামলা চালায় তারা।
এর আগে দখলদারদের লক্ষ্য করে গতকাল রাতে মিসাইল ছুড়েছিল ইরান। ধারণা করা হচ্ছে, ওই মিসাইল হামলার জবাবে ইসরায়েল পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গতকাল লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বড় হামলা চালায় ইসরায়েল। এর জবাবে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে মিসাইল ছুড়ে তেহরান।
ইরানি বার্তাসংস্থা মেহের নিউজ জানিয়েছে, রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন জায়গায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইরান গতকাল রাতে মিসাইল ছোড়ার পর থেকে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাতেই ইসরায়েল পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নেয়।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এতে হস্তক্ষেপ করেন। তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে একাধিকবার কথা বলেন।
এরপর ট্রাম্প বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ইসরায়েলকে আপাতত পাল্টা হামলা চালানো থেকে বিরত থাকতে বলেছেন তিনি। অজ্ঞাত এক ইসরায়েলি কর্মকর্তাও জানান, তারা আপাতত হামলা চালাবেন না। তবে এর কয়েক ঘণ্টা পরই হামলার তথ্য জানা গেল।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলে সামরিক অবকাঠামোকে টার্গেট করা হয়েছে।
গতকাল রাতে ইসরায়েলে হামলার পর ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড এক বিবৃতিতে বলেছিল, তারা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘনকে আর সহ্য করবে না। এর অংশ হিসেবেই মিসাইল ছোড়া হয়েছে। বিপ্লবী গার্ড ওই সময় সতর্কতা দেয়, ইসরায়েল যদি আবারও কোনো হামলা চালায় তাহলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন