ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অব্যাহত, টানা অষ্টম রাতেও বন্দর আব্বাসে বিস্ফোরণ

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৯:৪০ এএম
ফাইল ছবি

ইরানে টানা অষ্টম রাতের মতো সামরিক হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বন্দর আব্বাস এবং পার্শ্ববর্তী কেশম দ্বীপে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর তথ্য অনুযায়ী, বন্দর আব্বাসের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।

অন্যদিকে, আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম জানিয়েছে, প্রাদেশিক কর্মকর্তারা বিস্ফোরণের শব্দ শোনার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত বা যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান থেকে হামলার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তাসনিমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৩টা ৩৮ মিনিটের দিকে কেশম দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দ্বীপে অন্তত তিন থেকে পাঁচটি স্থানে হামলা হয়েছে।

সাম্প্রতিক কয়েক দিনে বন্দর আব্বাস ও কেশম দ্বীপে একাধিক মার্কিন বিমান হামলার খবর বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

কেশম দ্বীপের উপকণ্ঠে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি

তাসনিমের বরাতে জানা গেছে, কেশম দ্বীপের উপকণ্ঠে অন্তত ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলে থাকা সংবাদদাতার তথ্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে এখনো নিরাপত্তা বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি। হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে, জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার সময় দুই মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন এবং আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবারের ওই ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ সেনাসদস্যের সন্ধান অব্যাহত রয়েছে। সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় আহত চার সেনাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল এবং চিকিৎসা শেষে তারা হাসপাতাল ছেড়েছেন। এছাড়া সামান্য আহত অন্যান্য সেনাসদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আবারও দায়িত্বে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।