সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩১, ২০২৫, ০৫:১৯ পিএম

যুদ্ধ মন্ত্রণালয় গঠনের পথে হাঁটছে হোয়াইট হাউস

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩১, ২০২৫, ০৫:১৯ পিএম

হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি- এএফপি

হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি- এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের চিন্তা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। মূলত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়ার পর হোয়াইট হাউস আবারও পুরোনো নাম ‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’ বা ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়’ ফিরিয়ে আনার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

রোববার (৩১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

এতে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়ার পর হোয়াইট হাউস বিষয়টি এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে জানানো হয়, মন্ত্রণালয়ের বর্তমান নাম ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স পরিবর্তন করে আবার ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার নামকরণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। সরকারের সবচেয়ে বড় এই দপ্তরের নাম পরিবর্তন করতে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে। তবে বিকল্প উপায়ে এটি কার্যকর করার পথও খুঁজছে হোয়াইট হাউস।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেমন বলেছেন, আমাদের সামরিক বাহিনী শুধু প্রতিরক্ষায় নয়, আক্রমণাত্মক সক্ষমতার দিকেও মনোযোগী হওয়া উচিত। এ কারণেই তিনি পেন্টাগনে ডিইআই ও ‘ওয়োক’মতাদর্শের পরিবর্তে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত সৈন্যদের অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। অপেক্ষা করুন, আরও আসছে!’

এর আগে গত সোমবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আগে একে ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার বলা হতো এবং তা আরও শক্তিশালী শোনাত। আমরা প্রতিরক্ষা চাই, তবে আক্রমণও চাই। যখন এটি ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার ছিল, আমরা সব যুদ্ধে জয়ী হয়েছি। আমার মনে হয়, আমাদের আবার সেই অবস্থায় ফিরে যেতে হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার ধাপে ধাপে পরিবর্তিত হয়ে ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স হয়। ১৯৪৭ সালের ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীকে একীভূত করে ন্যাশনাল মিলিটারি এস্টাবলিশমেন্ট গঠন করে। পরবর্তীতে ১৯৪৯ সালে আইনের সংশোধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স নাম চালু হয়, যা এখনো বহাল আছে।

ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সম্প্রতি সামরিক বাহিনীর আরও আক্রমণাত্মক ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। এর অংশ হিসেবে তারা শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে পরিবর্তন এনেছেন, যাদের অনেকেই ট্রাম্পের নীতির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছিলেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!