জাপানে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে ভোট দেওয়া শুরু করেন দেশটির ভোটাররা।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানের এ নির্বাচনে সংসদের নিম্নকক্ষের ৪৬৫ আসনেন জন্য ১ হাজার ২৮৪ প্রার্থী লড়াই করছেন।
গত ২৩ জানুয়ারি দেশটির সংসদ ভেঙে দেন প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাচি। ওই সময় তিনি ৮ ফেব্রুয়ারি আগাম নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। তাকাচি জাপানের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।
গত বছরের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেও তার দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সংসদে সামান্য ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। কিন্তু তিনি শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা চাইছিলেন। এর ফলে ক্ষমতা গ্রহণ করেই আগাম নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেন।
প্রধানমন্ত্রী তাকাচির ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সঙ্গে মূল লড়াই হবে জাপান ইনোভেশন পার্টির।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়ে যাবে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এ ছাড়া তাকাচির প্রধানমন্ত্রিত্বের ভাগ্যও এর মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
দেশটিতে আজকের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। ভোট গণনা শেষ হতে হতে সারারাত লাগতে পারে।
সংসদের নিম্নকক্ষের মোট ৪৬৫টি আসনের মধ্যে ২৮৯ জন সদস্য সরাসরি একক নির্বাচনি এলাকা থেকে এবং বাকি ১৭৬ জন সদস্য ১১টি আঞ্চলিক ব্লকের মাধ্যমে সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন।
বিভিন্ন জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তাকাচির ক্ষমতাসীন এলডিপিই সংসদের সর্বোচ্চ আসনে জয়ী হতে পারেন।
এদিকে ১৯৯০ সালের পর প্রথমবারের মতো জাপানে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হচ্ছে। এর মধ্যে জাপান সাগরের উপকূলে তুষারপাত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ভোট দিতে আসা মানুষের সংখ্যা কমে যেতে পারে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন