× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম

পাকিস্তান বনাম আফগানিস্তান : সামরিক শক্তিতে কার অবস্থান কেমন?

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। ডুরান্ড লাইনের বিভিন্ন পয়েন্টে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর দুই দেশই ভারী ক্ষয়ক্ষতির দাবি করছে। ইসলামাবাদ একে কার্যত ‘উন্মুক্ত যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

২২ ফেব্রুয়ারি রাতে আফগানিস্তানের নঙ্গরহর প্রদেশ এবং পকতিকা প্রদেশ-এ পাকিস্তানের বিমান হামলার পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে সীমান্তজুড়ে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে ডুরান্ড লাইনের একাধিক এলাকায় কামান, মাল্টি-ব্যারেল রকেট লঞ্চার ও সাঁজোয়া যান মোতায়েন করে মুখোমুখি অবস্থান নেয় পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও আফগান তালেবান বাহিনী।

শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মহম্মদ আসিফ জানান, আফগান সীমান্তে শুরু হওয়া সেনা অভিযান তালিবানের বিরুদ্ধে পূর্ণ যুদ্ধ। তিনি বলেন, আমাদের ধৈর্য ফুরিয়ে গেছে। এখন সরাসরি যুদ্ধের সময়।

ওদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তার দেশের বাহিনী তালেবানকে গুঁড়িয়ে দিতে প্রস্তুত এবং সক্ষমও। এই পরিস্থিতিতে উঠে আসছে লড়াইয়ে নামা দুই পক্ষের সামরিক শক্তির তুলনামূলক বিশ্লেষণ।

দুই দেশের লড়াইয়ে উত্তেজনার মাঝে লন্ডনভিত্তিক ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ (আইআইএসএস)-এর তথ্য বলছে, সামরিক শক্তি ও অস্ত্রভাণ্ডারের দিক থেকে পাকিস্তানের তুলনায় আফগানিস্তানের অবস্থান দুর্বল।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদার চীনের আধুনিক সরঞ্জামে সজ্জিত এবং তারা নিয়মিত নৌ ও বিমানবাহিনীকে আধুনিকায়ন করছে। সামরিক বাহিনীর পারমাণবিক কর্মসূচিতেও ইসলামাবাদ বিনিয়োগ করে আসছে।

অন্যদিকে, আফগানিস্তানের তালেবানের সশস্ত্র বাহিনীর অবনতি হচ্ছে। তালেবান ২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের সময় যেসব বিদেশি সরঞ্জাম জব্দ করেছিল, সেগুলো ঠিকমত ব্যবহারের সক্ষমতা তাদের নেই।

তাছাড়া, তালেবান প্রশাসন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না পাওয়ার কারণেও তা তাদের সামরিক অস্ত্র আধুনিকায়নে বড় বাধা হয়ে আছে।

সেনা কর্মকর্তার সংখ্যা:

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে বর্তমানে ৬ লাখ ৬০ হাজার সক্রিয় সদস্য রয়েছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীতে আছে ৫ লাখ ৬০ হাজার সদস্য, বিমান বাহিনীতে ৭০ হাজার এবং নৌ বাহিনীতে ৩০ হাজার সদস্য।

অন্যদিকে, আফগান তালেবান সেনাবাহিনীতে এ সংখ্যা অনেক কম। তাদের সক্রিয় সেনা সদস্য সংখ্যা মাত্র ১ লাখ ৭২ হাজার। তবে তারা এই সংখ্যা ২ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।

যুদ্ধযান ও কামান:

পাকিস্তানের ৬ হাজারেরও বেশি সাঁজোয়া যুদ্ধযান এবং ৪ হাজার ৬০০-র বেশি কামান রয়েছে।

আফগান তালেবান বাহিনীরও সাঁজোয়া যান, সোভিয়েত আমলের ট্যাঙ্ক এবং সাঁজোয়া পার্সোনেল ক্যারিয়া, পানির নিচের স্বাধীন যান রয়েছে। তবে এগুলোর সঠিক সংখ্যা কত তা জানা যায়নি।

একইভাবে তালেবান বাহিনীর তিন ধরনের কামান থাকলেও সেগুলোর সঠিক সংখ্যা ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনও তথ্য নেই।

বিমানবাহিনী:

আকাশপথের শক্তিতে পাকিস্তান অনেকখানি এগিয়ে। দেশটির বিমানবহরে ৪৬৫টি যুদ্ধবিমান এবং ২৬০টিরও বেশি হেলিকপ্টার রয়েছে। এর মধ্যে বহুমুখী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম, আক্রমণাত্মক এবং পরিবহন কপ্টারও আছে।

বিপরীতে, আফগানিস্তানের কোনও কার্যকর বিমানবাহিনী বা যুদ্ধবিমান নেই। তাদের কাছে অন্তত ৬টি বিমান আছে বলে জানা যায়, যেগুলোর কয়েকটি সোভিয়েত আমলের। তাদের আরও আছে ২৩ টি হেলিকপ্টার। তবে সেগুলোর কয়টি উড্ডয়নযোগ্য তা মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়নি।

পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডার:

পাকিস্তান একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ এবং বর্তমানে তাদের কাছে ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তানের কোনও পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডার নেই।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!