× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জান্তাপ্রধান অং হ্লাইং

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। ছবি: এএফপি

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। ছবি: এএফপি

মিয়ানমারের সাবেক সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন। পাঁচ বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নোবেলজয়ী অং সান সুচির নেতৃত্বাধীন বেসামরিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন তৎকালীন সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজধানী নেপিদোয় দেশটির পার্লামেন্টে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ৬৯ বছর বয়সি মিন হ্লাইং বলিষ্ঠ কণ্ঠে শপথ গ্রহণ করেন। শুক্রবার বার্তাসংস্থা এএফপির এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রায় অর্ধ-দশক বিশেষ অধ্যাদেশের মাধ্যমে দেশ শাসনের পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করেন তিনি, যার ধারাবাহিকতায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন মিন অং হ্লাইং।

তবে এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়নি সুচির দলসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। মূলত, সাবেক সেনাসদস্য ও সেনাবাহিনীর মিত্ররাই এই একপেশে নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ী হন। 

এ সময় তিনি মিয়ানমারে ‘ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সাম্য প্রতিষ্ঠার’ অঙ্গীকার করেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাঁচ বছরের মেয়াদের শুরুতে তিনি বলেন, ‘আমি মিয়ানমারের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করছি’। 

এর আগে সেনাপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেন হ্লাইং। সোমবার থেকে মিয়ানমারের নববর্ষের উৎসব থিনগিয়ান শুরু হতে যাচ্ছে। 

তবে গণতন্ত্র নিরীক্ষক সংস্থাগুলো এই পুরো প্রক্রিয়াকে নাকচ করেছে। তাদের মতে, প্রহসনমূলক নির্বাচন হয়েছে এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সামরিক শাসনের কার্যত কোনো পার্থক্য নেই—এ যেন নতুন মোড়কে পুরনো পণ্যের প্রদর্শনী। 

সমালোচকেরা এসব পদক্ষেপকে ‘লোক দেখানো’ বলেই মনে করছেন। যদিও মিন অং হ্লাইং দাবি করেছেন, তাঁর সরকার ‘সামাজিক পুনর্মিলন, ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন বিবেচনায় সাধারণ ক্ষমা দেবে’।

২০২১ সালে মিয়ানমারে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ এখনো অব্যাহত রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!