শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ০২:৪৯ পিএম

ঘুষের অভিযোগে অভিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ০২:৪৯ পিএম

ফার্স্ট লেডি কিম কিওন হি। ছবি- সংগৃহীত

ফার্স্ট লেডি কিম কিওন হি। ছবি- সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কিওন হিকে’র বিরুদ্ধে ঘোষ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইউলের স্ত্রী। ইউনের বিরুদ্ধে দেশটিতে সামরিক আইন চাপিয়ে দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টাসহ একাধিক অভিযোগে বিচার চলছে।  গত বছেরের এপ্রিল মাসে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারিত হন তিনি। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির সামরিক আইন ঘিরে চলমান সংকট ও ক্ষমতাধর এই দম্পতিকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত কেলেঙ্কারির তদন্তকে আরও কঠিন করে তুললো।

দেশটির একটি বিশেষ প্রসিকিউশন দল জানিয়েছে, সামরিক আইন সংকট ও নানা কেলেঙ্কারিকে ঘিরে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। একইসঙ্গে দলটির দাবি, এই বিষয়ে তদন্ত আরো জোরালো করতে হবে। ইউন ও কিম দুজনকেই গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নতুন উদারপন্থী প্রেসিডেন্ট লি জেই মিয়ং জুনের শুরুতে ক্ষমতায় আসার পর, ইউন ও কিমের বিরুদ্ধে আলাদা আলাদা তদন্তে নিযুক্ত হয়েছেন বিশেষ তদন্তকারীরা।

অভিযোগ গঠনের পর এক বিবৃতিতে কিম কিওন হি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তিনি কোনো অজুহাত দাঁড় করাবেন না এবং আদালতের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, ‘যেমনটি অন্ধকার রাতে জ্যোৎস্না সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, তেমনি আমিও সত্য ও হৃদয়ের আলোয় এই সময়টা পার করব।’ তবে তার আইনজীবীরা স্পষ্টভাবে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন, বিশেষত উপহার গ্রহণ সংক্রান্ত অভিযোগ।

বিশেষ তদন্তকারীদের দাবি, ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে কিম স্টক মার্কেট জালিয়াতির মাধ্যমে ৮১০ মিলিয়ন ওয়ন (প্রায় ৫.৮৩ লাখ মার্কিন ডলার) অবৈধভাবে আয় করেছিলেন। এ ছাড়া, তাকে ইউনিফিকেশন চার্চের এক কর্মকর্তার কাছ থেকে ৮০ মিলিয়ন ওয়ন মূল্যের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ঘুষের মধ্যে দুটি শ্যানেল ব্র্যান্ডের ব্যাগ ও একটি হীরার হার ছিল। বিনিময়ে তিনি ঐ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক স্বার্থে প্রভাব খাটিয়েছেন বলে অভিযোগ।

এদিকে ইউনিফিকেশন চার্চ (ফ্যামিলি ফেডারেশন ফর ওয়ার্ল্ড পিস অ্যান্ড ইউনিফিকেশন) জানিয়েছে, তাদের এক সাবেক কর্মকর্তার অনিয়ম ঠেকাতে না পারাটা ‘গভীর অনুশোচনার বিষয়’, তবে তারা সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

শুক্রবার আরও নাটকীয় ঘটনায়, দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুককেও অভিযুক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সহায়তা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। বিশেষ তদন্ত দলের মুখপাত্র পার্ক জি-ইয়ং বলেন, ‘এই অভিযুক্ত ব্যক্তি ছিলেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে, তিনি প্রেসিডেন্টের অসাংবিধানিক ও অবৈধ সামরিক আইন বন্ধ করতে পারতেন।’

হান আগে পাঁচজন প্রেসিডেন্টের অধীনে বিভিন্ন উচ্চ পদে কাজ করেছিলেন। ইউন অপসারিত হওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পরে তাকেও অভিশংসন করা হয়, যদিও সাংবিধানিক আদালত সেই সিদ্ধান্ত উল্টে দেয়। তিনি জুনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে পদত্যাগ করেন, কিন্তু রক্ষণশীল শিবিরের বিভক্তির কারণে সেই প্রচার বন্ধ করে দেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!