পর্তুগালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল আটটায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। এবারের নির্বাচনে ১১ প্রার্থী প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার সংখ্যা ১ কোটি ১০ লাখেরও বেশি।
এই নির্বাচনে প্রথমবারের মতো কোনও কট্টর ডানপন্থী প্রার্থী রান-অফে পৌঁছাতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত ফল কী হবে, তা এখনো নিশ্চিত না।
জরিপগুলো বলছে, রোববারের এ নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থী ‘চেগা’ দলের নেতা আন্দ্রে ভেনচুরা প্রথম দফায় শীর্ষে থাকতে পারেন, তবে দ্বিতীয় দফায় যে কোন প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে তার পরাজিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সেক্ষেত্রে গত চার দশকের মধ্যে এই প্রথম কোনও প্রার্থী প্রথম দফায় সরাসরি জয়ী হতে ব্যর্থ হবেন । প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথম দফায় সরাসরি জিততে হলে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেতে হয়।
রেকর্ড ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে মাত্র পাঁচ জনের দ্বিতীয় দফায় ওঠার বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় চূড়ান্ত ভোটে তারা বর্তমান রক্ষণশীল প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো দে সুসার উত্তরসূরি হওয়ার লড়াইয়ে থাকবেন।
৪৩ বছর বয়সী ভেনচুরা পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, সমাজতান্ত্রিক নেতা আন্তোনিও হোসে সেগুরো (৬৩), ইউরোপীয় পার্লামেন্টের উদারপন্থী সদস্য জোয়াও কোট্রিম ফিগেইরেদো (৬৪), ডানপন্থী সরকারের প্রার্থী লুইস মার্কেস মেন্দেস (৬৮) ও অবসরপ্রাপ্ত নৌ-অ্যাডমিরাল এনরিক গুভেইয়া ই মেলো।
মেলো কোভিড টিকাদান কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়ে পরিচিতি পান।
জরিপ সংস্থাগুলো জানায়, দ্বিতীয় দফায় ভেনচুরার সম্ভাব্য চার প্রতিদ্বন্দ্বীর যে কেউই তাকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারেন।
গত মে মাসের সাধারণ নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থি চেগা দলটি ২২ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট ও ৬০টি আসন পায়। সমাজতান্ত্রিক দলকে ছাড়িয়ে তারা সংসদের সবচেয়ে বড় বিরোধী দলে পরিণত হয়।
পর্তুগালের প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা নেই। তবে সংকটকালে তিনি সংসদ ভেঙে দিতে পারেন, নির্বাচন ডাকতে পারেন কিংবা প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন।

