× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম

ফিফা সভাপতিকে হত্যা করতে চায় ইউক্রেন, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম

ফিফা-এর সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ছবি: সংগৃহীত

ফিফা-এর সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনের রাষ্ট্রসমর্থিত মিরোতোভোরেতস ওয়েবসাইটের ‘কিল লিস্ট’-এ আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা-এর সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ওয়েবসাইটে সেসব ব্যক্তির তথ্য প্রকাশ করে যাদেরকে ইউক্রেনের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

ওয়েবসাইটটি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে– ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আগ্রাসন, রাশিয়াকে সমর্থন ও সহযোগিতা এবং রুশ ‘প্রোপাগান্ডা’ ছড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখা। এতে ২০১৯ সালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছ থেকে ইনফান্তিনোর ‘অর্ডার অব ফ্রেন্ডশিপ’ পদক পাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পক্ষে কথা বলেছিলেন ইনফান্তিনো। রুশ ফুটবলারদের আবার আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় দেখতে চান তিনি। রাশিয়ার ওপর ফিফার নিষেধাজ্ঞায় কোনো সুফল পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে ইনফান্তিনো বলেছেন, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা ও বয়কট ‘আরও হতাশা ও ঘৃণা’ সৃষ্টি করে।

এই মন্তব্যের জন্য ইউক্রেন সরকার কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ইনফান্তিনোর কড়া সমালোচনা করেছেন। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিহা ওই মন্তব্যের জেরে বিশ্ব ফুটবলের প্রধানকে ‘নৈতিকভাবে অধঃপতিত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত শুরু হওয়ার পর ফিফা ও উয়েফা প্রতিযোগিতাসহ অধিকাংশ বৈশ্বিক ক্রীড়া আসর থেকে রুশ ক্রীড়াবিদদের নিষিদ্ধ করা হয়। মস্কো এসব নিষেধাজ্ঞাকে বৈষম্যমূলক এবং অলিম্পিক চার্টারের লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছে।

মঙ্গলবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘খেলা ও অলিম্পিক আন্দোলনকে কখনোই রাজনীতিকরণ করা উচিত নয়।’

উল্লেখ্য, মিরোতোভোরেতস ওয়েবসাইটটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনভাবে পরিচালিত হলেও ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে এর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। এই ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত একাধিক ব্যক্তি পরবর্তীতে নিহত হওয়া বা সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যুবরণ করায় এটি ‘কিল লিস্ট’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ওয়েবসাইটে প্রতিটি এন্ট্রিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্মতারিখের নিচে একটি ‘নির্মূলের তারিখের’ ঘরও থাকে। সূত্র: আরটি

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!