× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫, ১১:০৭ এএম

বাংলাদেশকে নিয়ে একাত্তরের পর ‘সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের’ মুখে ভারত

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫, ১১:০৭ এএম

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে ভারতের জন্য ‘সবচেয়ে বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ’ বলে মনে করছে কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন দেশটির একটি সংসদীয় কমিটি। তারা জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারতের অত্যন্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এ বিষয়ে কমিটি ভারত সরকারের কাছে একাধিক সুপারিশ পেশ করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

কমিটির মতে, বাংলাদেশে ‘বর্তমান অস্থিরতার’ পেছনে ‘ইসলামী চরমপন্থার উত্থান’, ‘চীন ও পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা’ এবং ‘শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের আধিপত্যের পতন’ দায়ী। প্রতিবেদনে মোদি সরকারকে পরিস্থিতির গভীরতা অনুধাবনের বার্তা দিয়ে বলা হয়, ‘১৯৭১ সালের চ্যালেঞ্জ ছিল অস্তিত্বগত, একটি মানবিক সংকট এবং একটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম। কিন্তু বর্তমান চ্যালেঞ্জটি আরও গভীর ও গুরুতর। এটি প্রজন্মগত বিচ্ছিন্নতা, রাজনৈতিক ব্যবস্থার রূপান্তর এবং ভারতের দিক থেকে সম্ভাব্য কৌশলগত পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত বহন করে।’

প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ‘এই মুহূর্তে যদি ভারত তার কৌশল পুনর্নির্ধারণে ব্যর্থ হয়, তবে যুদ্ধের মাধ্যমে নয়, বরং অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ার মাধ্যমে ঢাকায় তার কৌশলগত অবস্থান হারানোর ঝুঁকি তৈরি হবে।’

কমিটি বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে অবকাঠামো, বন্দর উন্নয়ন এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে এই দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা।

এ প্রসঙ্গে মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ, লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি এবং পেকুয়ায় অবস্থিত সাবমেরিন ঘাঁটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশের কাছে বর্তমান চীনের তৈরি দুটি সাবমেরিন থাকলেও পেকুয়া ঘাঁটিতে সর্বোচ্চ আটটি সাবমেরিন রাখা সম্ভব।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিয়ে কমিটি বলেছে, ‘বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীসহ সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছে চীন। এমনকি ইসলামপন্থী এই দলটি চীন সফরও করেছে। পূর্বে নিষিদ্ধ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী নিবন্ধন পুনর্বহাল করা হয়েছে, যার ফলে দলটি আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে।’

কমিটি সুপারিশ করেছে, বাংলাদেশে কোনো বিদেশি শক্তি যাতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করতে না পারে, সে বিষয়ে ভারত সরকারকে কঠোর নজরদারি চালাতে হবে। আর বাংলাদেশের সঙ্গে টালমাটাল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে স্বাভাবিক করতে উন্নয়ন, সংযোগ ও বন্দর ব্যবহারের ক্ষেত্রে তুলনামূলক সুবিধা দেয়ার বার্তাও দিয়েছে তারা।

আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে আসন্ন নির্বাচনে দলটি অংশ নিতে পারছে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্বাচনগুলো কতটা ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাবে বলেও মন্তব্য করেছে শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন কমিটি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!