× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ০৯:০৭ এএম

ভেঙেছে বাঁ পা, ডান পায়ে ‘সফল’ অস্ত্রোপচার করলেন ডাক্তার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ০৯:০৭ এএম

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

ভারতের মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসায় উঠেছে চরম গাফিলতির অভিযোগ। ভাঙা বাঁ পায়ের বদলে চিকিৎসকরা সম্পূর্ণ সুস্থ ডান পায়ে অস্ত্রোপচার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) মুর্শিদাবাদের সুতি-২ ব্লকের মালোপাড়া এলাকার বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী রেণু বিবি বাড়ির সিঁড়িতে পা পিছলে পড়ে যান। এতে তিনি বাঁ দিকের 'হিপ জয়েন্ট'-এ গুরুতর চোট পান এবং তার বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে টুকরো হয়ে যায়। দ্রুতই তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

চিকিৎসকরা জানান, অস্ত্রোপচার করাই একমাত্র পথ। পরিবারের সম্মতি মেলার পর তাঁকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়।

কিন্তু বিপত্তি ঘটে অস্ত্রোপচারের শেষে। ওটি থেকে বের করার সময় দেখা যায়, রোগিণীর বাঁ পায়ের বদলে ডান পায়ে ব্যান্ডেজ করা হয়েছে। জ্ঞান ফেরার পর রোগী নিজেই চিৎকার করে বলতে থাকেন, ভুল করেছেন ভুল!

অভিযোগ উঠেছে, নার্স ও ওটি সহকারীর উপস্থিতিতে অর্থোপেডিক সার্জন সুস্থ পায়েই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেছেন। ভুল নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাকে পুনরায় অপারেশন টেবিলে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ভাঙা বাঁ পায়ে দ্রুত 'ট্রাকশন' দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একাংশ দাবি করেছে, ওই বৃদ্ধার দুটি পা-ই ভাঙা ছিল। কিন্তু পরিবারের প্রশ্ন, কথা ছিল বাঁ পায়ে অস্ত্রোপচারের, তবে ডান পায়ে কেন করা হলো? এক্স-রে রিপোর্ট এবং শারীরিক পরীক্ষার পরও অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা কীভাবে এমন ভুল করতে পারেন, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন রোগীর আত্মীয়রা। 

সেলিম মালিক নামের রোগীর এক আত্মীয় জানান, অপারেশন করার আগে তো খালি চোখেও দেখা যায় কোন পায়ে সমস্যা। এক্স-রে প্লেট দেখেও কেন এই ভুল হলো, তা কোনোভাবে বোধগম্য হচ্ছে না।

মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত মেডিকেল সুপার অনাদি রায় চৌধুরী বলেন, এখন পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। গোটা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে কারও গাফিলতি বা দায়িত্বজ্ঞানহীনতা প্রমাণিত হলে যথাযথ ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!