× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ২২, ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম

কী এই ককরোচ পার্টি? ৫ দিনেই ১০ মিলিয়ন ফলোয়ার্স

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ২২, ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে নতুন এক ‘রাজনৈতিক দল’- ককরোচ জনতা পার্টি বা সংক্ষেপে সিজেপি। জন্মের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যেই ইনস্টাগ্রামে ১০ মিলিয়নের বেশি অনুসারী জুটিয়ে ভারতীয় রাজনীতির দুই বড় দল কংগ্রেস ও বিজেপিকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার দাবি ঘিরে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে নেটদুনিয়ায়।

তবে বাস্তবে এটি কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়। ভারতের নির্বাচন কমিশনেও এর কোনো স্বীকৃতি নেই। মূলত এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন রাজনৈতিক আন্দোলন, যা তরুণ সমাজ ও নেটিজেনদের অংশগ্রহণে গড়ে উঠেছে। ডিজিটাল প্রতিবাদ, রাজনৈতিক বিদ্রূপ এবং নাগরিক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্য নিয়েই এই প্ল্যাটফর্মের যাত্রা।

সিজেপির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, গত ১৫ মে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে এক শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বেকার তরুণদের প্রসঙ্গে ‘ককরোচ’ বা আরশোলা শব্দটি ব্যবহার করেন। সংগঠনটির দাবি, ওই মন্তব্যে তরুণদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

এরপর সেই ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরদিনই বস্টন ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ বিভাগের ৩০ বছর বয়সী ভারতীয় শিক্ষার্থী অভিজিৎ দিপকে একটি ডোমেইন খুলে ওয়েবসাইট, লোগো ও স্লোগান চালু করেন। মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এক লাখের বেশি তরুণ এতে নাম নিবন্ধন করেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

কী বলছে সিজেপি?

ওয়েবসাইটে সিজেপিকে তরুণদের পরিচালিত জনমত গঠনের একটি উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘আপনি যদি ভারতের টুইটার জগতে দেখে থাকেন যে টাইমলাইনজুড়ে পোকামাকড়ের ইমোজি, ভোটার তালিকা নিয়ে মিম এবং ‘ম্যায় ভি ককরোচ’ স্লোগান ছড়িয়ে পড়েছে- তবে এই আন্দোলন আপনার জন্য।’

সংগঠনটির দাবি, তাদের কোনো করপোরেট স্পনসর নেই এবং আপাতত নির্বাচনে অংশ নেওয়ারও পরিকল্পনা নেই।

সিজেপির পাঁচ দফা দাবি

সিজেপির ঘোষিত ইশতেহারে পাঁচটি মূল দাবি তুলে ধরা হয়েছে।

প্রথমত, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিদের রাজ্যসভায় নিয়োগ বন্ধ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়লে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তৃতীয়ত, নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৩৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ শতাংশ করতে হবে।

এ ছাড়া ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ঘটনায় সময়সীমাবদ্ধ তদন্ত ও দায়ীদের নাম প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি তরুণদের রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়িয়ে ভবিষ্যতে স্থানীয় ও রাজ্য নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিবেশ তৈরির কথাও বলা হয়েছে।

কারা রয়েছেন এর পেছনে?

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নাম এসেছে অভিজিৎ দিপকের। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন ইউনিভার্সিটিতে পাবলিক রিলেশনস বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। এর আগে ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ভারতের আম আদমি পার্টির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিমেও কাজ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিজিৎ জানিয়েছেন, পুরো উদ্যোগটি ছিল ‘স্বতঃস্ফূর্ত’ এবং এত বড় সাড়া পাবেন, তা তিনি কল্পনাও করেননি।

তৃণমূলের দুই এমপির সমর্থন

ভারতের তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সংসদ সদস্য— মহুয়া মৈত্র ও কীর্তি আজাদ প্রকাশ্যে সিজেপির প্রতীকী সদস্যপদ গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও তারা নিজ নিজ রাজনৈতিক দলেই বহাল রয়েছেন।

সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হতে চায় না। বিশেষ করে বিজেপির সঙ্গে নয়। তবে বিরোধী দলের কেউ সমর্থন জানালে তাতে আপত্তি নেই বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।

এদিকে, ককরোচ পার্টির মূল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট ভারতে বন্ধ করে দেওয়া হলেও পরে নতুন একটি হ্যান্ডেল চালু করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

Link copied!