ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ইয়েমেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী শায়া মোহসেন জিনদানি

বিশ্ব ডেস্ক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১০:০৭ এএম
শায়া হোসেন জিনদানি । ছবি : সংগৃহীত

ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রী সালেম বিন ব্রেইক পদত্যাগের পর তার পদে এসেছেন শায়া মোহসেন জিনদানি, যিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগ পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সালেম বিন ব্রেইক সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিলে কাউন্সিল তা গ্রহণ করে। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শায়া মোহসেন জিনদানির নাম ঘোষণা করে কাউন্সিল।

ইয়েমেনের সরকারি বার্তা সংস্থা সাবা বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী রাজধানী সানা দখল করার পর ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মনসুর আল হাদি সৌদিতে আশ্রয় নেন। হুতি বিদ্রোহীদের দমন এবং মনসুর আল হাদির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ফের ক্ষমতায় ফেরাতে নিজেদের, আমিরাতের এবং ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে একটি প্রতিরক্ষা জোট গঠন করে সৌদি।

পরের বছর ২০১৫ সাল থেকে হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে এই জোট। তার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১১ বছর ধরে হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুদ্ধ চলছে সৌদি প্রতিরক্ষা জোটের। বর্তমানে ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দখলে আছে আর দক্ষিণাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি প্রতিরক্ষা জোট সমর্থিত ইয়েমেন প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল।

সম্প্রতি দক্ষিণ ইয়েমেনে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজেশন কাউন্সিলের (এসটিসি) উত্থানের জেরে রীতিমতো অস্তিত্ব সংকটে পড়েছিল প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল। এসটিসিকে সহযোগিতা করায় আমিরাতের সঙ্গে সৌদির সম্পর্ক তিক্ত হয়েছে। এই তিক্ততার জেরে দক্ষিণ ইয়েমেন থেকে আমিরাতের সেনা প্রত্যাহার করে নিতে আবুধাবিকে আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদ এবং আবুধাবি তা মেনেও নিয়েছে।

কয়েক দিন আগে দক্ষিণ ইয়েমেনে সৌদি প্রতিরক্ষা জোটের সামরিক অভিযান শুরু করণে প্রাণ বাঁচাতে আমিরাতে আশ্রয় নেন এসটিসির প্রেসিডেন্ট এইদারুস আল জুবাইদি। তার পর থেকে ইয়েমেনের দক্ষিণে কার্যত নিষ্ক্রিয় আছে বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা।

দক্ষিণ ইয়েমেনে বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আসার পর পরিবর্তন এলো প্রধানমন্ত্রীর পদে।