× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, কাতারে যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমান

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, কাতারে যুদ্ধবিমান পাঠালো যুক্তরাজ্য। ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, কাতারে যুদ্ধবিমান পাঠালো যুক্তরাজ্য। ছবি : সংগৃহীত

ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ায় কাতারে যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে যুক্তরাজ্য। কাতার সরকারের আমন্ত্রণে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের  (আরএএফ) ফাইটার জেটগুলো কাতারের আল-উদেইদ এয়ারবেসে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ সরকার।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সচিব জন হিলি জানান, যুক্তরাজ্য ও কাতারের মধ্যে দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সম্পর্ক রয়েছে এবং দুই দেশের যৌথ স্কোয়াড্রনের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সুরক্ষা ও উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা আরও শক্ত হবে।

তিনি বলেন, ‘এই অংশীদারত্ব আমাদের উভয়ের জাতীয় নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহায়তা করে।’

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) আমিরাত-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ন্যাশনাল’ জানিয়েছে, এই যুদ্ধবিমানগুলো এবং কাতারের যৌথ ইউনিট ‘১২ নম্বর স্কোয়াড্রন’ হিসেবে কাজ করবে। এই স্কোয়াড্রন মূলত প্রতিরক্ষামূলক ভূমিকা পালন করবে এবং আকাশে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রও গালফ অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ এবং এর সঙ্গে থাকা এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্রধারী যুদ্ধজাহাজ সহ একটি স্ট্রাইক গ্রুপ শিগগিরই উপসাগরে পৌঁছাবে বলে জানা গেছে। এই বহরটি ইতিমধ্যেই মালাক্কা প্রণালি পাড়ি দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এই বহর ইরানের দিকে পাঠাচ্ছেন সম্ভাব্য উত্তেজনা মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার জন্য। একই সঙ্গে দ্বিতীয় আরেকটি বিমানবাহী রণতরী ‘জর্জ এইচডব্লিউ বুশ’ ও এর স্ট্রাইক গ্রুপও দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর পথে আছে।

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এই সামরিক শক্তি মোতায়েন শুধু প্রতিরক্ষামূলক নয়, বরং ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য প্রতিরোধ বা প্রতিশোধের প্রস্তুতিও নির্দেশ করছে। যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমানের উপস্থিতিও সম্ভাব্য ইরানি পাল্টা হামলার বিরুদ্ধে একটি বাড়তি নিরাপত্তা স্তর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ব্রিটিশ বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে—এই ধরনের বিমানগুলো দরকারি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যেমন শাহেদ‑ ১৩৬ ধরনের ড্রোন প্রতিরোধেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

যুক্তরাজ্য এই পদক্ষেপটিকে ‘সহযোগিতাপূর্ণ’ বলে বর্ণনা করেছে এবং এটি কাতার ও অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!