× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১০:৩৭ পিএম

মার্কিন নৌবহরের যাত্রা, যেকোনো হামলাকে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ হিসেবে দেখবে ইরান

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১০:৩৭ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের দিকে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি জোরদারের প্রেক্ষাপটে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। তেহরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, ইরানের ওপর যেকোনো ধরনের হামলা—তা সীমিত বা আংশিক হলেও—দেশটি ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করবে এবং তার কঠোর জবাব দেবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরান আশা করছে যে যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক সমাবেশ বাস্তব সংঘাতের দিকে গড়াবে না। তবে সম্ভাব্য সব পরিস্থিতির জন্য ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। তার ভাষায়, ‘এ মুহূর্তে দেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি আছে। ভবিষ্যতে কোনো হামলাকেই ছোট করে দেখা হবে না—সেটি সার্জিক্যাল বা সীমিত যা-ই বলা হোক না কেন, আমাদের কাছে তা হবে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ।’

এই মন্তব্য এমন এক সময় সামনে এলো, যখন একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। গত ২২ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের দিকে একটি শক্তিশালী নৌবহর অগ্রসর হচ্ছে। যদিও তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই বাহিনী ব্যবহারের প্রয়োজন পড়বে না। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেন, বিক্ষোভকারীদের দমন বা পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় শুরু করলে দেশটিকে কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

পেন্টাগনের নির্দেশনায় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং এর সঙ্গে থাকা তিনটি ডেস্ট্রয়ার ইতোমধ্যে দক্ষিণ চীন সাগর ত্যাগ করে পশ্চিমমুখী যাত্রা শুরু করেছে। মার্কিন নৌবাহিনীর সূত্র জানায়, জাহাজগুলো বর্তমানে ভারত মহাসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এগুলো বাহরাইনে নোঙর করা তিনটি লিটোরাল কমব্যাট শিপ এবং পারস্য উপসাগরে থাকা আরও দুটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ারের সঙ্গে যুক্ত হবে।

এই স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েনের ফলে প্রায় ৫ হাজার ৭০০ অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে। কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিসহ অঞ্চলজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেখানে ইতোমধ্যেই হাজার হাজার সেনা অবস্থান করছে।

ইরানি ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সার্বভৌমত্ব বা ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে, তাহলে পাল্টা প্রতিক্রিয়া অবশ্যম্ভাবী। কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হতে পারে—সে বিষয়ে বিস্তারিত না জানালেও তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিধর দেশের কাছ থেকে নিয়মিত সামরিক হুমকির মুখে থাকলে, আত্মরক্ষার জন্য সব সক্ষমতা প্রস্তুত রাখা ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকে না।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!