ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন এবং তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে—এমন দাবি করেছেন এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে খামেনির মরদেহের ছবি দেখানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, নিজ প্রাসাদ কমপ্লেক্সে প্রাণ হারান খামেনি এবং সেখান থেকেই তার মরদেহ উদ্ধার করে ইরানি উদ্ধারকারীরা।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে বড় ধরনের হামলা চালায় ইসরায়েল। পরে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস স্যাটেলাইটচিত্র প্রকাশ করে। সেখানে প্রাসাদ ভবনটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দেখা যায়।
তবে ইরান খামেনির মৃত্যুর খবর সরাসরি অস্বীকার করেছে। তেহরানের ভাষ্য, এটি শত্রুপক্ষের ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’। এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে বলেন, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও সুপ্রিম লিডার খামেনি দুজনই ভালো আছেন। সরকারও স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছেন, তাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী খামেনি প্রাণ হারিয়ে থাকতে পারেন। পরে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা রয়টার্সকে দাবি করেন, ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে পরিস্থিতি নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন