× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২৬, ১১:০০ পিএম

‘গোপনে’ ইরানকে অস্ত্র দিচ্ছে চীন?

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২৬, ১১:০০ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে বিপর্যস্ত ইরানের বায়ু ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনে চিন গোপনে সহায়তা করছে, এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি উঠেছে নিউজ ১৮-এর একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে। যদিও বেইজিং সরাসরি অস্ত্র বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেছে, তথাপি কৌশলগত ও প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে তেহরানকে শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া জোরদার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এড়াতে চিন সরাসরি বড় আকারে অস্ত্র সরবরাহ না করে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র যন্ত্রাংশ, উন্নত রাডার ব্যবস্থা এবং সামরিক প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালের ঘটে যাওয়া ১২ দিনের যুদ্ধে পর ইরানের সামরিক ভান্ডারে ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে এই সহযোগিতা প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কয়েকটি চিনা প্রযুক্তি নাম, যা ইরানের কাছে গোপনে বিক্রি করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। 

সি এম-৩০২ অতিস্বনক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র : ‘বিমানবাহী রণতরী বিধ্বংসী’ নামে পরিচিত এই ক্ষেপণাস্ত্রের চুক্তি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। এর পাল্লা প্রায় ২৯০ থেকে ৪৬০ কিলোমিটার। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌবহরের জন্য এটি বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এইচ কিউ-৯বি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা :  রাশিয়ার এস–৩০০ বা এস–৪০০-এর সমমানের বলে বিবেচিত এই উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ২০২৫ সালের গ্রীষ্মকাল থেকে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটির নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।

ওয়াই এল সি-৮বি অ্যান্টি-স্টেলথ রাডার : এটি রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম যুদ্ধবিমান- যেমন আধুনিক পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ বিমান- দূর থেকে শনাক্ত করতে সক্ষম এই শক্তিশালী রাডার ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়িয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের জ্বালানি উপাদান :  ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রায় এক হাজার টন ‘সোডিয়াম পারক্লোরেট’ ইরানে পাঠানো হয়েছে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই কাঁচামাল ব্যবহার করে ‘হাজ কাসেম’ বা ‘খাইবার শেকান’-এর মতো প্রায় ২০০ থেকে ৩০০টি নির্ভুল নিশানার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি সম্ভব বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

আত্মঘাতী ড্রোন বা লয়টারিং মিউনিশন : নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম আত্মঘাতী ড্রোন প্রযুক্তিও ইরানের হাতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে, যা দিয়ে শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিখুঁত হামলা চালানো যায়।

কূটনৈতিক বিশ্লেষণ

সরাসরি যুদ্ধে জড়িত না হয়েও চিনের এই কৌশলগত ও প্রযুক্তিগত সহায়তা মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।

Link copied!