× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১০, ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম

সত্যিই কি নেতানিয়াহুর বাড়িতে আছড়ে পড়েছে ইরানি মিসাইল?

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১০, ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি- সংগৃহীত

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি- সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান সংঘাত এখন ডিজিটাল তথ্যযুদ্ধে রূপ নিয়েছে। সম্প্রতি অনলাইনে ভাইরাল হওয়া এক চাঞ্চল্যকর দাবি অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভীরের ব্যক্তিগত বাসভবনে আঘাত হেনেছে।

এই দাবির সত্যতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক ও সংশয়। এই জল্পনার মূলে রয়েছেন মার্কিন মেরিন কোরের সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শক স্কট রিটার। একটি অনলাইন টকশোতে তিনি দাবি করেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু ও বেন-গভীরের বাড়ি ধ্বংস হয়েছে। 

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এই হামলায় নেতানিয়াহুর ভাই ইদ্দো নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন এবং মন্ত্রী বেন-গভীর গুরুতর আহত হয়েছেন। 

রিটারের এই বক্তব্য মুহূর্তের মধ্যে এক্স, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা ফোরামে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, বেন-গভীরের সাম্প্রতিক একটি গাড়ি দুর্ঘটনাকে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর ধামাচাপা দেওয়ার কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের বাসভবন লক্ষ্য করে হামলা চালানো প্রতীকী ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ ইরানি নেতাদের মৃত্যুর পর তেহরান এমন পাল্টা আঘাতের চেষ্টা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

তবে এখন পর্যন্ত ইসরাইল বা ইরান, কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে এ হামলার খবর নিশ্চিত করেনি। ইসরাইলে বর্তমানে কঠোর সামরিক সেন্সরশিপ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এর আওতায় যে কোনো স্পর্শকাতর নিরাপত্তাসংক্রান্ত তথ্য বা ক্ষয়ক্ষতির খবর প্রকাশের আগে সামরিক কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরণের সেন্সরশিপ অনেক সময় তথ্যের শূন্যতা তৈরি করে, যা সামাজিক মাধ্যমে জল্পনা আর গুজব ছড়াতে সাহায্য করে। অর্থাৎ, সত্যটি চাপা দেওয়ার চেষ্টা অনেক সময় আরও বড় গুজবের জন্ম দেয়।

বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইরান এখন পর্যন্ত মূলত ইসরাইলের সামরিক অবকাঠামো ও বিমানঘাঁটিগুলোকেই লক্ষ্যবস্তু করেছে। রাজনৈতিক নেতাদের বাসভবনে হামলা চালানো একটি চরম উস্কানি হিসেবে গণ্য হয়, যা যুদ্ধের সংজ্ঞাকেই বদলে দিতে পারে। তাই এখন পর্যন্ত নেতানিয়াহু বা বেন-গভীরের বাড়িতে হামলার দাবিটিকে রণক্ষেত্রের বাস্তব ঘটনার চেয়ে ‘তথ্যযুদ্ধের কৌশল’ হিসেবেই বেশি দেখছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে একটি ভুল তথ্য বা অতিরঞ্জিত দাবিও রকেট বা কামানের গোলার চেয়ে বেশি বিধ্বংসী হতে পারে। স্কট রিটারের দাবি যদি সত্য প্রমাণিত না হয়, তবে এটি কেবল যুদ্ধের ধোঁয়াশা বৃদ্ধি করবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!