× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম

বাহরাইন থেকে জরুরি ভিত্তিতে সব বিমান সরিয়ে নিল ‘গালফ এয়ার’

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম

বাহরাইনের জাতীয় বিমান সংস্থা ‘গালফ এয়ার’। ছবি : সংগৃহীত

বাহরাইনের জাতীয় বিমান সংস্থা ‘গালফ এয়ার’। ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বাহরাইনের জাতীয় বিমান সংস্থা ‘গালফ এয়ার’ তাদের বেশিরভাগ বিমান বাহরাইন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে। গত ১০ মার্চ কয়েক ঘণ্টার জন্য আকাশসীমা আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হলে জরুরি ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলে হামলা তীব্র হওয়ায় বাহরাইন একাধিকবার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিস্ফোরক ড্রোন হামলার হুমকির মুখে পড়ে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় বাহরাইন এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বেসামরিক উড়োজাহাজের জন্য তাদের আকাশসীমা বন্ধ রাখে।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৯ থেকে ১১টি গালফ এয়ারের বিমান বাহরাইন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ বিমান সৌদি আরবের আল-উলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

কিছু প্রতিবেদন উল্লেখ করেছে, গালফ এয়ার ও কার্গোসহ মোট প্রায় ১৭টি বিমান ওই সময় বাহরাইন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
 
এদিকে সরিয়ে নেওয়া সব বিমানই ফেরি ফ্লাইট হিসেবে পরিচালিত হয়, অর্থাৎ এসব ফ্লাইটে কোনো যাত্রী ছিল না। চলমান মিসাইল হুমকির কারণে যাত্রী পরিবহনকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে গালফ এয়ারের বহরের বড় অংশ বিদেশে অবস্থান করায় বাহরাইন থেকে নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট কার্যত বন্ধ রয়েছে। তবে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে সৌদি আরবের দাম্মামসহ বিকল্প বিমানবন্দর থেকে সীমিত সংখ্যক রিপ্যাট্রিয়েশন (প্রত্যাবাসন) ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বিমান সংস্থাটি।

উল্লখ, গালফ এয়ারের বহরে বর্তমানে প্রায় ৪৩টি বিমান রয়েছে, যার মধ্যে এয়ারবাস এ-320 সিরিজের ন্যারোবডি বিমান এবং বোয়িং 787 ড্রিমলাইনার দীর্ঘ দূরত্বের বিমান রয়েছে। এক সময় পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান বিমান সংস্থা হিসেবে পরিচিত ছিল গালফ এয়ার।

১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি পরবর্তীতে বাহরাইন, কাতার, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের যৌথ মালিকানায় পরিচালিত হয়। তবে পরবর্তীতে এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ ও ইতিহাদের মতো নতুন বিমান সংস্থার উত্থানের পর গালফ এয়ারের প্রভাব অনেকটাই কমে যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বাহরাইন থেকে স্বাভাবিক ফ্লাইট কার্যক্রম পুরোপুরি চালু হওয়া কঠিন হতে পারে।

Link copied!