× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম

আমিরাত যুদ্ধে জড়ালে গুঁড়িয়ে যাবে দুবাই, আমেরিকার হুঁশিয়ারি

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ইরান-আমেরিকার সংঘর্ষ এক মাস হয়ে গেল। এর মধ্যেই ইরানের ওপর হামলার আসল কারণ নিয়ে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, ইরানের তেলের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায় আমেরিকা। লক্ষ্যপূরণে খার্গ দ্বীপে মার্কিন বাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।

একই সময়ে বড় ধরনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শীর্ষ মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেফরি স্যাক্স। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, চলমান সংঘাতে যদি আরব আমিরাত জড়িয়ে পড়ে, তাহলে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে দুবাই।

সূত্র অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্যাক্স। তিনি বিশেষ করে দুবাই এবং আবুধাবির সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা তুলে ধরেছেন। তার মতে, এই শহরগুলো মূলত পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে, কোনো সুরক্ষিত সামরিক অঞ্চল হিসেবে নয়।

একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্যাক্স বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত যদি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে দুবাই এবং আবুধাবি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। এগুলো পর্যটনকেন্দ্র— যেখানে ধনী ব্যক্তিরা বিনিয়োগ করতে এবং অবসর কাটাতে যান। যুদ্ধক্ষেত্রে জড়িয়ে পড়া মানে এই শহরগুলোর মূল উদ্দেশ্যকেই ব্যর্থ করে দেওয়া।’

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে আমিরাত নিজেকে এক ‘অযৌক্তিক জটিলতায়’ ফেলেছে এবং সেই ভুল সিদ্ধান্তগুলো আরও বাড়িয়ে চলেছে।

জেফরি স্যাক্স আব্রাহাম চুক্তির বিষয়েও সমালোচনা করেন। তার মতে, এই চুক্তির মাধ্যমে উপসাগরীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘এই ধরনের জটিল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জড়িয়ে পড়া আমিরাতের জন্য এক ধরনের বিপর্যয়ের আমন্ত্রণ।’

স্যাক্সের ভাষায়, উপসাগরীয় দেশগুলো মূলত মার্কিন সামরিক সুরক্ষার ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করেছে। ‘তারা মনে করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র তাদের রক্ষা করবে— এটাই ছিল তাদের বড় ভুল হিসাব,’ বলেন তিনি।

Link copied!