× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম

ভেঙেছে একটি, হামলার বদলা নিতে ইরানের লক্ষ্য মার্কিনি ৮ ব্রিজ

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। ইরানের কারাজ শহরের গুরুত্বপূর্ণ নির্মীয়মাণ বি-১ সেতুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর এবার পাল্টা জবাবের প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। ‘ইটের বদলে পাটকেল’ নীতি অনুসরণ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেতুকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত করেছে ইরান।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিভিন্নি প্রতিবেদনে এ খবর তুলে ধরেছে। 

সংবাদ সংস্থা আনাদোলু ও ইরানের আধা-সরকারি ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারাজের সেতু ধ্বংসের প্রতিশোধ নিতে কুয়েত, সৌদি আরব, বাহরিন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং জর্ডানের গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলির একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কুয়েতের শেখ জাবের আল-আহমদ আল-সাবাহ সি ব্রিজ, সৌদি আরব ও বাহরিনকে সংযুক্তকারী কিং ফাহাদ কজওয়ে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শেখ জায়েদ ও শেখ খলিফা ব্রিজ এবং জর্ডনের কিং হুসেন, দামিয়া ও আবদুন ব্রিজ।

গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে কারাজের বি-১ সেতুতে দু’দফা বিমান হামলা চালানো হয় বলে ইরানের দাবি। রাজধানী তেহরানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য নির্মীয়মাণ এই সেতুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, প্রথম দফা হামলার পর উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হয়, যা ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

আলবোর্জ প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর ঘোদরাতুল্লাহ সইফ জানিয়েছেন, এই হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত এবং ৯৫ জন আহত হয়েছেন। সেতুটির বড় অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শান্তি আলোচনায় অংশ না নিলে দেশটিকে ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তার এই বক্তব্যের পরপরই হামলা চালানো হয় বলে ইরানি গণমাধ্যমের দাবি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরই মধ্যে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ও ইজরায়েলি সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এখন গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করার ইঙ্গিত পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা শুরু হলে তা আঞ্চলিক অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে এই সংঘাত বৃহত্তর আকার ধারণ করার ঝুঁকিও বাড়ছে, যা পুরো পশ্চিম এশিয়াকে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

Link copied!