যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবানন নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (৮ এপ্রিল) লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলার পর পিবিএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের এই লড়াইকে একটি ‘আলাদা সংঘর্ষ’ হিসেবে অভিহিত করেন।
ট্রাম্প বলেন, হিজবুল্লাহর কারণে তাদের এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ওটাও (লেবানন পরিস্থিতি) একসময় দেখে নেওয়া হবে। সব ঠিক হয়ে যাবে।
অথচ মঙ্গলবার রাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছিলেন, ‘অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের মিত্রদের নিয়ে লেবাননসহ সব স্থানে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়েছে। এই মুহূর্ত থেকেই এই ঘোষণা কার্যকর হবে।’
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-ও জানিয়েছিল, ইরান এই চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জোর দিয়েছিল। কিন্তু ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শুরু থেকেই লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
তবে নেতানিয়াহুর ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লেবাননজুড়ে ইতিহাসের অন্যতম তীব্র হামলা শুরু করে ইসরায়েল। জনবহুল এলাকার আবাসিক ভবন, মসজিদ, মেডিকেল সেন্টার, যানবাহন, এমনকি কবরস্থানেও বোমা হামলা চালানো হয়েছে।
ইসরায়েলের ব্যাপক প্রাণঘাতী এসব হামলায় লেবাননে অন্তত ২৫৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১ হাজার ১৬৫ জন। এ ঘটনায় এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে লেবানন সরকার।
তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক ইরানি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ইসরায়েল যদি লেবাননে হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করতে থাকে, তবে তেহরান এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসবে।



সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন