× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম

লোহিত সাগর বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের ওপর নৌ অবরোধ যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন। এই অবরোধ অব্যাহত থাকলে ইরান পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে সমস্ত রপ্তানি ও আমদানি প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেবে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহি এ কথা বলেন। পরে সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এ তথ্য তুলে ধরে।

তিনি বলেন, যদি আগ্রাসী ও সন্ত্রাসী যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে সামুদ্রিক অবরোধ আরোপ করে এবং ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেল ট্যাঙ্কারগুলোর জন্য নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে তার অবৈধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পূর্বাভাস হিসেবে গণ্য হবে। এর ফলে ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে কোনো রপ্তানি বা আমদানি চলতে দেবে না।”

কমান্ডার জোর দিয়ে বলেন, “ইরান তার জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থ রক্ষার জন্য চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে।”

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, ইসরায়েল-আমেরিকার যৌথ হামলায় ইরানের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন সামরিক কমান্ডারের মৃত্যু হয়। এ হামলার জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ৪০ দিন ধরে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক সম্পদ লক্ষ্য করে ধারাবাহিক পাল্টা আক্রমণ চালায়, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়।

গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়, যা ইসলামাবাদে আলোচনার সুযোগ করে দেয়। সেখানে ইরান মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবিতে একটি দশ-দফা পরিকল্পনা প্রস্তাব করে।

২১ ঘণ্টার তীব্র আলোচনা সত্ত্বেও মার্কিন প্রতিশ্রুতির প্রতি আস্থার অভাবের কথা উল্লেখ করে ইরানি প্রতিনিধিদল কোনো চুক্তি ছাড়াই তেহরানে ফিরে আসে। এই উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে নৌ অবরোধের ঘোষণা দেন, যার লক্ষ্য ছিল ইরানগামী শুল্ক প্রদানকারী জাহাজগুলোকে আটক করা।

মার্কিন সামরিক বাহিনী সোমবার অবরোধ শুরু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

Link copied!