× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ১০:১৩ পিএম

কার হাতে ইরান, মোজতবা নাকি অন্য কেউ?

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ১০:১৩ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরুর দিনই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এরপর কে নতুন খামেনি হবেন, এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। তবে সব জল্পনাকে ভেঙে দেশটি নতুন সর্বোচ্চ নেতার নাম ঘোষণা করে। সর্বোচ্চ নেতার নাম ঘোষণা করা হলেও বর্তমান শাসনব্যবস্থার কাঠামো এবং দেশটির ক্ষমতা আসলে কার হাতে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। আসলে কার হাতে ইরানের ক্ষমতা আছে, সে বিষয়ে কৌতূহল ক্রমাগত বাড়ছে।

এই আলোচনাগুলো আরও জোরালো হচ্ছে বিশ্লেষকদের নানারকম পোস্টের কারণে। বিবিসি ফার্সির সংবাদদাতা ঘোনচে হাবিবিয়াজাদ লিখেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অধিকারী হিসেবে পরিচিত। তবে গত মার্চের শুরুতে নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে তাকে এখনো জনসমক্ষে কিংবা সাম্প্রতিক কোনো ভিডিও বা ছবিতে দেখা যায়নি।

দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনাকারীরা খামেনির নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছেন। তিনি সরাসরি আলোচনার বিষয়ে কোনো কথা বলেননি, তবে তার নামে প্রচারিত সাম্প্রতিক বার্তাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের যে দলটি, তাতে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে বেশ সক্রিয় ও প্রভাবশালী ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে।

গালিবাফের সঙ্গে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যদিও আইআরজিসির প্রভাব কেবল একটি প্রথাগত সামরিক বাহিনীর ভূমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিশেষ করে যুদ্ধকালীন সময়ে।

এদিকে আইআরজিসি চলমান যুদ্ধে তাদের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাকে হারিয়েছে, তবুও তারা প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পাশাপাশি একটি সমান্তরাল সরকার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

পেজেশকিয়ান নিয়মিত বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন, তবে তার হাতে আসলে কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়ে যায়।

মনে রাখতে হবে, ইরানের শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিরা অনেক বেশি চরমপন্থি। এর কারণ একদিকে যেমন ইরানি জনগণের সঙ্গে তাদের আচরণের ইতিহাস, তেমনি ইরানের যুদ্ধ করার পদ্ধতি সম্পর্কে তাদের বিশ্বাসও এর একটি কারণ।

যদিও ইরানের নতুন নেতা মোজতবা খামেনির প্রতিই সবার বেশি মনোযোগ। কারণ, তার প্রয়াত পিতার স্থলাভিষিক্ত হয়ে তিনি সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে কেন্দ্রীভূত হয়েছেন।

Link copied!