ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

নিয়ম ভেঙে আল-আকসায় বেন-গভিরসহ শত শত বসতি স্থাপনকারী ইহুদীর অনুপ্রবেশ

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

ইহুদি ধর্মীয় শোক দিবস ‘তিশা বি’আভ’ উপলক্ষে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে শত শত ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীর প্রবেশকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শুরুর পর ইসরাইলের উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরও আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন।

জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া পাহারায় ২ হাজার ৩০০–এর বেশি বসতি স্থাপনকারী আল-আকসা এলাকায় প্রবেশ করেছে।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এ সময় আল-আকসার প্রবেশপথে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে ইসরাইলি বাহিনী। ফলে বহু ফিলিস্তিনি মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ করতে পারেননি। এছাড়া শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়া এবং কয়েকজন মুসল্লির সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জেরুজালেম গভর্নরেটের ফিলিস্তিনি প্রশাসন বেন-গভিরের এই পদক্ষেপকে ‘উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেওয়ার মতো’ ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ইসরাইল সরকারের প্রত্যক্ষ সমর্থনের ইঙ্গিত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জর্ডান ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাষ্ট্রদূত ফুয়াদ মাজালি বলেন, আল-আকসাকে ঘিরে এ ধরনের পদক্ষেপ জেরুজালেমের পবিত্র স্থানগুলোর ঐতিহাসিক ও আইনি বিদ্যমান অবস্থার লঙ্ঘন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে ইসরাইলের ওপর কার্যকর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানান।

অন্যদিকে হামাস এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, আল-আকসায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে তারা প্রকাশ্য আগ্রাসন হিসেবে দেখছে এবং এর পরিণতি দখলদার বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদেরই বহন করতে হবে। সংগঠনটি আরও বলেছে, ফিলিস্তিনি জনগণ ও প্রতিরোধ বাহিনী তাদের পবিত্র স্থানগুলোর অবমাননা নীরবে মেনে নেবে না।

সূত্র: আল জাজিরা