× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হাসান মাহমুদ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম

কানাডায় ইসলামবিদ্বেষ রোধে ৬০ সুপারিশ

হাসান মাহমুদ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম

কানাডার লন্ডনে বর্ণবাদী ট্রাক হামলায় নিহত আফজাল পরিবারের স্মরণে ও ঘৃণা ছড়ানোর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের প্রতিবাদী পদযাত্রা। ছবি: সিবিসি নিউজ।

কানাডার লন্ডনে বর্ণবাদী ট্রাক হামলায় নিহত আফজাল পরিবারের স্মরণে ও ঘৃণা ছড়ানোর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের প্রতিবাদী পদযাত্রা। ছবি: সিবিসি নিউজ।

কানাডায় গত কয়েক বছরে মুসলিমদের ওপর ধারাবাহিক এবং প্রাণঘাতী হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটিতে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ইসলামোফোবিয়া (ইসলামবিদ্বেষ) প্রতিরোধে দেশটির কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের কাছে ৬০টি সুনির্দিষ্ট নীতিগত সুপারিশ পেশ করেছে শীর্ষস্থানীয় মুসলিম সংগঠন ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ কানাডিয়ান মুসলিমস’ (এনসিসিএম)।

সম্প্রতি কানাডার প্রধান সংবাদমাধ্যম সিবিসি নিউজে এ সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডার মুসলিমরা এখন নিজেদের দেশে ‘অনিরাপদ’ বোধ করছেন এবং এই ঘৃণা ছড়ানো বন্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন।

প্রতিবেদনে গত কয়েক বছরের কিছু মর্মান্তিক ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে যা পুরো কানাডাকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। যেমন, ২০২১ সালের জুনে একটি মুসলিম পরিবারের ওপর পরিকল্পিতভাবে ট্রাক তুলে দিয়ে চার সদস্যকে হত্যা করা হয়। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে একটি মসজিদের সামনে স্বেচ্ছাসেবক মোহাম্মদ-আসলাম জাফিসকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে হত্যা। ২০১৭ সালে মসজিদে নামাজরত অবস্থায় বন্দুকধারীর হামলায় ছয়জন মুসলিম নিহত ও বহু মানুষ আহত হন। এডমন্টনসহ বিভিন্ন শহরে কৃষ্ণাঙ্গ ও হিজাবধারী মুসলিম নারীদের ওপর ধারাবাহিক মৌখিক ও শারীরিক লাঞ্ছনার ঘটনা।

এনসিসিএম’র প্রধান নির্বাহী মুস্তফা ফারুক বলেন, ‘ইসলামোফোবিয়া এখন প্রাণঘাতী রূপ নিয়েছে। আমরা আর কোনো প্রাণ হারাতে দেখতে চাই না।’

তাদের পেশ করা প্রধান কয়েকটি সুপারিশ হলো : ঘৃণা-বিদ্বেষমূলক অপরাধের জন্য শাস্তি বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় আইনে কঠোর পরিবর্তন আনা। কানাডার জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর ভেতর বর্ণবাদী বা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী গোষ্ঠীগুলোর কোনো অনুপ্রবেশ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে স্বাধীন তদন্ত। ইসলামোফোবিয়া বা বিদ্বেষমূলক অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের জন্য রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে বিশেষ তহবিল গঠন। প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইসলামবিদ্বেষ বিরোধী শিক্ষা প্রদানের জন্য স্কুল কারিকুলামে পরিবর্তন আনা।  নারীদের জন্য রাস্তাঘাটে হিজাব বা পোশাকের কারণে হয়রানি বন্ধে কঠোর স্থানীয় আইন কার্যকর করা।

কানাডিয়ান কাউন্সিল অফ মুসলিম উইমেনের সভাপতি নিনা করাচি-খালেদ বলেন, ‘মুসলিম নারীরা এখন রাস্তায় বের হতে ভয় পাচ্ছেন। ব্যাংকে যাওয়ার মতো সাধারণ কাজেও তাদের বারবার পেছনে ফিরে তাকাতে হয়। এটি কোনো সভ্য দেশের চিত্র হতে পারে না।’

এদিকে ক্রমবর্ধমান সংকটের সমাধান খুঁজতে কানাডার পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে ‘জাতীয় ইসলামোফোবিয়া সম্মেলন’আহ্বানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফেডারেল সরকার আশ্বস্ত করেছে যে, তারা মুসলিমদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি জাতীয় কৌশল প্রণয়ন করবে। সূত্র : সিবিসি নিউজ (CBC News) ও এনসিসিএম (NCCM) পলিসি রিপোর্ট।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!