নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় প্লাটো রাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গতকাল রোববার রাতে বন্দুকধারীরা হামলা চালিয়েছে, এতে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) বাসিন্দা ও স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ খবরটি প্রকাশ করেছে।
‘মিডল বেল্ট’ নামে পরিচিত মধ্য নাইজেরিয়ার সহিংসতা প্রায়শই লক্ষ্য করা যায়। এই সংঘাত মূলত মুসলিম ফুলানি পশুপালক এবং খ্রিস্টান কৃষকদের মধ্যে জাতিগত ও ধর্মীয় সংঘাত হিসেবে চিত্রিত হয়।
কিন্তু অনেক বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কৃষির সম্প্রসারণ জমির জন্য প্রতিযোগিতা বাড়ায়, যা ধর্ম বা জাতি নির্বিশেষে সংঘাতের জন্ম দেয়।
প্লাটো যুব আন্তঃধর্মীয় গোষ্ঠীর সহ-সভাপতি এবং একজন বাসিন্দা মার্কাস অডু কান্দো ফোনে বলেন, আমি যখন আপনার সাথে কথা বলছি, মৃতের সংখ্যা ৩০… হাসপাতালে আহত লোক আছে, কিন্তু আমি তাদের সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারছি না।
বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বন্দুকধারীরা আংওয়ান রুকুবা জেলার গারি ইয়া ওয়ায়ে সম্প্রদায়ে এসে নির্বিচারে মানুষের ওপর গুলি চালায়।
প্লাটো রাজ্য সরকার জানিয়েছে, বন্দুকধারীরা অজ্ঞাতপরিচয় এবং জেলায় ৪৮ ঘণ্টার কারফিউ জারি করা হয়েছে। জস বিশ্ববিদ্যালয় সোমবার থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষা স্থগিত করেছে।
উল্লেখ্য, গত নভেম্বর মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাইজেরিয়াকে পুনরায় “বিশেষ উদ্বেগের দেশ” হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, খ্রিস্টানদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে এবং কর্তৃপক্ষ তাদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা নাইজেরীয় সরকার অস্বীকার করে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন