× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

ট্রাম্পের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করল মেক্সিকো

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শিনবাউম। ছবি : সংগৃহীত

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শিনবাউম। ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্গঠন ও প্রশাসন তদারকের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ লক্ষে ‘বোর্ড অব পিস’ নামের একটি পরিষদ গঠন করেছেন ট্রাম্প। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মেক্সিকো-কেও এই পরিষদের পূর্ণ সদস্যপদের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। 

তবে তার সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখান করেছে মেক্সিকো। কারণ, দেশটির সরকার মনে করে— এই পরিষদে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিত্বের মাত্রা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই স্বল্প।

মঙ্গলবার স(১৭ ফেব্রুয়ারি) মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শিনবাউম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেছেন, ‘মেক্সিকো যেহেতু ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে, তাই স্বভাবিক কারণেই আমরা মনে করি যে বোর্ড অব পিসে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন— উভয়েরই সমান প্রতিনিধিত্ব থাকবে। কিন্তু এক্ষেত্রে এমন হয়নি।’

ক্লাউডিয়া বলেন, ‘এ কারণে আমরা বোর্ড অব পিসের পূর্ণ সদস্যপদের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছি। তবে মেক্সিকো পরিদর্শক হিসেবে এই পরিষদে থাকবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে জাতিসংঘে মেক্সিকোর দূত এই পরিষদে পরিদর্শক হিসেবে আমাদের প্রতিনিধিত্ব করবেন।’

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য ২০টি পয়েন্ট সম্বলিত একটি পরিকল্পনা পেশ করেন ট্রাম্প। ইসরায়েল ও হামাস উভয়ে সেই পরিকল্পনায় সম্মতি জানানোর পর গত ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয় সেই পরিকল্পনা।

 ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় উল্লেখ রয়েছে যে যুদ্ধবিরতির পর গাজার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি অনির্বাচিত টেকনোক্র্যাট সরকার এবং সেখানকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠন করা হবে, যার নাম হবে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ)।

আরও বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ‘বোর্ড অব পিস’ নামের একটি আন্তঃদেশীয় পরিষদ গঠন করা হবে এবং গাজার টেকনোক্র্যাট সরকার ও আইএসএফ ‘বোর্ড অব পিস’-এর কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।

গত জানুয়ারির মাঝামাঝি বোর্ড অব পিস গঠন করেন ট্রাম্প এবং বিভিন্ন দেশকে বোর্ড অব পিসে সদস্য হিসেবে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান। সেই সঙ্গে বোর্ড অব পিসের প্রত্যেক সদস্যরাষ্ট্রের জন্য ১০০ কোটি ডলার করে চাঁদা নির্ধারণ করেন তিনি। গাজার পুনর্গঠন খাতে ব্যয় হবে এই অর্থ। 

ইতোমধ্যে গাজা বোর্ড অব পিসের সদস্যপদ নিয়েছে পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি দেশ। গত ১৯ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে এ বোর্ডের প্রথম বৈঠকও হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!