পেরুর বামপন্থি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী রবার্তো সানচেজের বিরুদ্ধে আর্থিক অপরাধের অভিযোগে ৫ বছর ৪ মাস কারাদণ্ডের আবেদন করেছে দেশটির পাবলিক প্রসিকিউটর দপ্তর। আগামী ৭ জুন দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট (রান অফ) গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফার ভোটে উত্তীর্ণ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর মঙ্গলবার (১২ মে) সানচেজের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়।
প্রথম দফার ৯৯ দশমিক ৭৬ ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, রক্ষণশীল নেত্রী কেইকো ফুজিমোরি ১৭.১৭ শতাংশ ভোট পেয়ে শীর্ষে রয়েছেন। তিনি দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিমোরির মেয়ে। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ১২ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন কারাবন্দি সাবেক প্রেসিডেন্ট পেড্রো কাস্তিলোর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত রবার্তো সানচেজ। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন উগ্র-রক্ষণশীল সাবেক মেয়র রাফায়েল লোপেজ আলিয়াগা, যার সঙ্গে সানচেজের ভোটের ব্যবধান মাত্র ১৫ হাজার।
আগামী ১৫ মে প্রথম দফার নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করার কথা রয়েছে। আগামী ২৭ মে আদালত ঠিক করবে এই মামলাটি বিচারে উঠবে কি না।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এল কমার্সিওর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সানচেজের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ নির্বাচনি তহবিলের তথ্য গোপনের। কৌঁসুলিদের দাবি, ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ‘জুনতোস পর এল পেরু’ দলের হয়ে প্রচারণার সময় সানচেজ ও তার ভাই উইলিয়াম সানচেজ প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার পেরুভিয়ান সোল (প্রায় ৮২ হাজার ডলার) অনুদান গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনি দপ্তরে জমা দেওয়া নথিতে এই বিপুল অর্থের কোনো উল্লেখ ছিল না। এই জালিয়াতির দায়ে তাকে শুধু জেলেই নয়, বরং রাজনীতি থেকেও স্থায়ীভাবে অযোগ্য ঘোষণার আবেদন জানানো হয়েছে।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে সানচেজের আইনজীবী জানান, আর্থিক তহবিলের হিসেবের দায়িত্ব প্রার্থীর নয়, বরং এটা কোষাধ্যক্ষের।




