যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর (ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস)-এর একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুসারে, ‘ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের আদমশুমারিতে এই প্রথমবারের মতো জনসংখ্যার অর্ধেকেরও কম (৪৬.২ শতাংশ, প্রায় ২.৭৫ কোটি মানুষ) নিজেদের ‘খ্রিষ্টান’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।’ ২০১১ সালের তুলনায় এটি প্রায় ১৩ শতাংশ কম দেখা গেছে।
সমীক্ষায় আরও দেখা যায়, সবচেয়ে সাধারণ দ্বিতীয় উত্তর ছিল ‘কোনো ধর্ম নেই’ (প্রায় ৩৭ শতাংশ)।
ফলে অনেক পর্যবেক্ষক মন্তব্য করেছেন—ইংল্যান্ড বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম স্বল্প-ধর্মীয় দেশগুলোর একটি।
জানা গেছে, দেশটিতে ২০০০ সাল থেকে নিজেদের ‘খ্রিষ্টান’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া মানুষের হার ধারাবাহিকভাবে কমে আসছে।
অন্যদিকে মুসলিম ও হিন্দু হিসেবে পরিচয় দেওয়া মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সমীক্ষায় শয়তানবাদ ও শয়তান-উপাসনার মতো পরিচয়ও সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইংল্যান্ড ও ওয়েলস একা নয়। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশেও নিজেদের ‘খ্রিষ্টান’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে।
কিছু বিশ্লেষকের মতে, এসব সমাজ যখন ধর্মীয় গ্রন্থে শেখানো নৈতিক নীতিগুলো থেকে দূরে সরে যাচ্ছে তখন সামাজিক ও নৈতিক পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন