× UCB Sticker Card
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মো. সায়েম ফারুকী

প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম

সংলাপেই পুশ-ইন সমস্যার সমাধান : স্টিফেন ডুজারিক

মো. সায়েম ফারুকী

প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে পুশইনের ঘটনা ঘটেছে। ভারতের দাবি, তাদের দেশে অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের ফেরত পাঠাচ্ছে। তবে যেভাবে পুশইন করা হচ্ছে সেটা খেয়াল করলে দেখা যায় যে, রাতের আঁধারে অথবা সীমান্তের সবগুলো আলো বন্ধ করে দিয়ে জোর করে কিছু মানুষকে বাংলাদেশে পুশ ইন করছে। এমন ঘটনা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। যদিও জাতিসংঘ বলছে, কথিত ‘পুশইন’ ইস্যুর সমাধান দুই দেশের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে হওয়া উচিত। নইতো বিরুপ ঘটনা ঘটনা ঘটতে পারে।

সম্প্রতি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন, জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক।

সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন সাংবাদিক বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন তুলে ধরেন মহাসচিবের কাছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে পুশইন ঘটনা।

এসময় এক সাংবাদিক বলেন- বর্তমানে আন্তর্জাতিক মনোযোগ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, লেবানন ইস্যুর দিকে থাকলেও বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে শত শত নারী ও শিশুর জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। অনেক শিশু ক্ষুধায় কাঁদছে এবং নারীরা খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। এ বিষয়ে জাতিসংঘের মহাসচিবের অবস্থান জানতে চান তিনি।

জবাবে স্টিফেন ডুজারিক বলেন, ‘আমি মনে করি, বিষয়টি দুই দেশের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। একই সঙ্গে এতে মানুষের মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি পূর্ণ সম্মান নিশ্চিত করতে হবে।’

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে সাম্প্রতিক পুশ ইন অভিযোগ এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলমান থাকলেও এসব সমস্যার সমাধানে সংলাপ ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে জাতিসংঘ।

এদিকে সীমান্তে ঠেলে পাঠানো নাগরিকদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কোনো কোনো সীমান্তে আবার বিজিবির সঙ্গে সাধারণ জনগণকেও পাহারা দিতে দেখা গেছে।

দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বলছেন, এভাবে পুশ ইন করা বেআইনি। কারণ, প্রত্যাবাসনের নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। সহজ কথায় বলতে গেলে, ভারত চাইলেই একতরফাভাবে বা জোরপূর্বক যে কাউকে বাংলাদেশে ‘পুশইন’ বা ফেরত পাঠাতে পারে না। ভারতে যদি কোনো বিদেশি বা বাংলাদেশি অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে বা বসবাস করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভারতের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ আইন রয়েছে। তবে আইনগতভাবে কাউকে অবৈধ চিহ্নিত করার অর্থ এই নয় যে তাকে সরাসরি সীমান্ত পার করে দেওয়া যাবে। এর জন্য দুই দেশের মধ্যে সুনির্দিষ্ট আইনি বাধ্যবাধকতা এবং দ্বিপক্ষীয় কার্যপদ্ধতিও রয়েছে।

Link copied!