দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর মহাকাশ গবেষণায় নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করল নাসা। চাঁদের উদ্দেশে নাসার বহুল প্রতীক্ষিত ‘আর্টেমিস টু’ মিশনের যাত্রা শুরু হয়েছে। নভোচারীবাহী মহাকাশযানটি সফলভাবে উৎক্ষেপণের পর বর্তমানে পৃথিবীর কক্ষপথে অবস্থান করছে।
নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, মহাকাশযানটি আগামী ২৪ ঘণ্টা পৃথিবীর কক্ষপথেই থাকবে। এই সময়ে নভোচারীরা যানের বিভিন্ন কারিগরি দিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করবেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এরপরই এটি চাঁদের অভিমুখে যাত্রা করার চূড়ান্ত ‘সবুজ সংকেত’ পাবে।
মহাকাশযানটি পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এর কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, অপূর্ব দৃশ্য! আমরা এক চমৎকার চন্দ্রোদয় দেখতে পাচ্ছি।
‘আর্টেমিস-২’ মিশনের চার নভোচারী হলেন নাসার রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কোচ এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেরেমি হ্যানসেন। ১০ দিনের এই মিশনে তাঁরা চাঁদের চারপাশ ঘুরে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। মনুষ্যবাহী এই পরীক্ষামূলক যাত্রার মূল লক্ষ্য চাঁদে নিয়মিত যাতায়াত শুরু করা। নাসা ২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদের দুর্গম দক্ষিণ মেরুতে আবার নভোচারী অবতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
এই যাত্রার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘৫০ বছরের বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্র আবারও চাঁদে যাচ্ছে! আর্টেমিস-২ আমাদের সাহসী নভোচারীদের মহাকাশের অনেক গভীরে নিয়ে যাচ্ছে, যেখানে আগে কোনো মানুষ পৌঁছাতে পারেনি।’

