× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম

ভেস্তে গেল ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা, ট্রাম্পের সামনে এখন বিকল্প কী

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর দুই পক্ষ আবার আলোচনার টেবিলে না ফিরলে যুক্তরাষ্ট্র কী করবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে এখন প্রধান হাতিয়ার হলো পুনরায় বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর হুমকি দেওয়া।

দুই সপ্তাহের চলমান যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কথা ২১ এপ্রিল। যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার আগে আগামী দিনগুলোতে এই সামরিক অভিযান শুরুর হুমকির কথা হয়তো বারবার আসবে। কিন্তু ট্রাম্পের জন্য এটি রাজনৈতিকভাবে খুব একটা বাস্তবসম্মত বিকল্প নয়—আর ইরানিরাও তা ভালো করেই জানে।

বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহের পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি অস্থিরতা সামাল দিতেই ট্রাম্প গত সপ্তাহে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন। ওই সংকটের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যায় এবং সারসহ সেমিকন্ডাক্টর তৈরির জন্য অপরিহার্য হিলিয়ামের মতো অতিপ্রয়োজনীয় উপকরণের ঘাটতি দেখা দেয়।

একটি চুক্তির আশায়— সেটি অপূর্ণাঙ্গ বা অসন্তোষজনক হলেও— শেয়ারবাজার চাঙ্গা হয়েছিল। যুদ্ধ যদি আবার শুরু হয়, তবে বাজারের দরপতন ঘটবে, পণ্যের ঘাটতি প্রকট হবে এবং মুদ্রাস্ফীতি—যা যুক্তরাষ্ট্রে ইতিমধ্যেই ৩ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে—তা অবধারিতভাবেই আরও বাড়বে।

আর এটিই সবচেয়ে জরুরি বিষয়টিকে সামনে নিয়ে আসে, তা হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া।

ইরানিরা আলোচনার প্রধান বিষয়গুলোর মধ্যে এটিকে সবার ওপরে রেখেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালি, পরমাণু ইস্যু, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তিসহ মূল বিষয়গুলোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

তালিকাটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ যুদ্ধ শুরুর আগে প্রণালিটি বন্ধ হওয়া কোনো ইস্যুই ছিল না। পরবর্তীতে অর্থনৈতিক বিপর্যয় তৈরির সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে ইরান এটি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। এখন এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ ইরানের অন্যান্য দাবির সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে।

এসব দাবির মধ্যে রয়েছে—বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের যে ক্ষতি হয়েছে তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ দিতে হবে এবং গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে জারি থাকা নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র প্রথম প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং দ্বিতীয়টির বিষয়ে বলেছে যে, ইরান চুক্তির শর্তগুলো পালন শুরু করলে এটি ধাপে ধাপে কার্যকর হতে পারে।

ইসলামাবাদ আলোচনা এটা স্পষ্ট করেছে যে, উভয় পক্ষই নিজেদের প্রথম দফার বিজয়ী মনে করছে। যুক্তরাষ্ট্র ভাবছে তারা ইরানের ওপর ব্যাপক বোমাবর্ষণ করতে পেরেছে, আর ইরানিরা ভাবছে তারা টিকে থাকতে পেরেছে। কোনো পক্ষই এখন আপসের মেজাজে নেই।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!