× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম

হরমুজে ২ হাজার জাহাজসহ ২০ হাজার নাবিক আটকা, বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন সংকট

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তেল পরিবহনের এই প্রধান রুটে বিঘ্ন ঘটায় আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রায় ২ হাজার জাহাজ ও ২০ হাজার নাবিক পারস্য উপসাগরে আটকা পড়েছেন, যারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছেন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এই জলপথ কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। গত মার্চে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বিমা কোম্পানিগুলো হরমুজ প্রণালিকে ‘অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা করে ট্যাংকার জাহাজের জন্য যুদ্ধ ঝুঁকি বিমা বাতিল করে। ফলে অনেক জাহাজ চলাচলের সক্ষমতা থাকলেও বিমা জটিলতায় তাদের যাত্রা বন্ধ হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জলপথে পেতে রাখা নৌ-মাইন অপসারণে অন্তত ছয় মাস সময় লাগতে পারে। এর আগে নিরাপদভাবে জাহাজ চলাচল সম্ভব নয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে মাইন অপসারণ সম্পন্ন হলেও বিমা খরচ দীর্ঘদিন উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে। স্থায়ী রাজনৈতিক বা সামরিক সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত এই অনিশ্চয়তা কাটার সম্ভাবনা কম।

বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের ২০ শতাংশেরও বেশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই রুটে দীর্ঘস্থায়ী সংকট বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে ইরান জানিয়েছে, নাবিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তারা সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেয়নি। দেশটির কন্টেইনার জাহাজ ‘তোস্কা’ থেকে ছয়জন নাবিককে ইতোমধ্যে মুক্ত করা হয়েছে। তেহরান দাবি করেছে, ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলেই এই মুক্তি সম্ভব হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সম্প্রতি ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী একটি জাহাজ নিয়ন্ত্রণে নেয়, যাতে ২৮ জন ইরানি নাবিক ছিলেন। এ ঘটনাকে ইরান ‘দস্যুতার শামিল’ বলে উল্লেখ করেছে।

ইরান শুরু থেকেই জানিয়ে আসছে, তারা সামরিক উত্তেজনা না বাড়িয়ে কূটনৈতিক উপায়ে নাবিকদের মুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ছয়জন দেশে ফিরলেও এখনো ২২ জন নাবিক যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে রয়েছেন। তাদের মুক্তির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!