গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) খাতে রাজস্ব আদায়ে প্রায় ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, সিলেট। সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে সিলেট কমিশনারেট রাষ্ট্রীয় কোষাগারে মোট এক হাজার ৫৭০ কোটি টাকা রাজস্ব জমা দিয়েছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০৮ কোটি টাকা বেশি।
কমিশনারেট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূসক খাতে রাজস্ব আদায় হয়েছিল এক হাজার ৩৬২ কোটি টাকা। সেই তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে প্রায় ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যা কমিশনারেটের জন্য উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিত প্রচেষ্টা এ সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি। পাশাপাশি ভ্যাট নিবন্ধনের আওতা বৃদ্ধি, ভ্যাট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের হার বৃদ্ধি, দাখিলপত্র যাচাই, অডিট কার্যক্রম জোরদার, মামলা নিষ্পত্তি এবং নিয়মিত জরিপ পরিচালনার ফলে রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক অগ্রগতি এসেছে।
কমিশনারেটের মতে, ব্যবসায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং কর-সচেতনতা বৃদ্ধিও রাজস্ব প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ অর্জনের জন্য সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, বিভিন্ন ট্রেড বডি, ব্যবসায়ী সমিতি এবং নিয়মিত ভ্যাট প্রদানকারী ব্যবসায়ীদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে কমিশনারেট।
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, সিলেটের কমিশনার খন্দকার নাজমুল হক বলেন, ‘আধুনিক, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর ভ্যাট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে রাজস্ব আহরণ আরও বাড়াতে কমিশনারেট কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকা-ে প্রয়োজনীয় রাজস্ব নিশ্চিত করতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রেখে এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।’

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন