× UCB Sticker Card
রবিবার, ০৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ০৬:৪১ এএম

২ কোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা ‘আল আমিন ফাইন্যান্স’

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ০৬:৪১ এএম

২ কোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা ‘আল আমিন ফাইন্যান্স’

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় গ্রাহকদের ২ কোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা হওয়া ‘আল আমিন ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট’র কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার এবং আমানত ফেরত পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এই মানববন্ধনে প্রতারণার শিকার শতাধিক ভুক্তভোগী গ্রাহক অংশ নেন।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, বেশি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ২০১২ সাল থেকে কলারোয়ার ১৩৬ জন সাধারণ গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওমর ফারুক সবুজ। ২০১৩ সালে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও গ্রাহকদের একটি টাকাও না দিয়ে হঠাৎ প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে চম্পট দেয় কর্মকর্তারা। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে ছোটাছুটি করেও কোনো টাকা উদ্ধার করতে পারেননি নিঃস্ব হওয়া গ্রাহকেরা।

মানববন্ধনে কান্নায় ভেঙে পড়েন প্রতারণার শিকার অসহায় নারীরা। ভুক্তভোগী জাহানারা খাতুন বলেন, ‘মেয়ের বিয়ের জন্য তিল তিল করে ৪ লাখ টাকা জমিয়েছিলাম। প্রতারকদের খপ্পরে পড়ে সব টাকা ওই প্রতিষ্ঠানে জমা রাখি। আজ পর্যন্ত কোনো টাকা ফেরত পাইনি।’ হোটেল শ্রমিকের বিধবা স্ত্রী সাবিনা খাতুন বলেন, ‘স্বামী কষ্ট করে ৬৩ হাজার টাকা জমিয়েছিলেন। সেই টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে তারা। আমি এখন অসুস্থ, ওষুধ কেনার টাকাও নেই।’

টাকা লোপাটের বিষয়ে অভিযুক্ত ওমর ফারুক সবুজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, টাকা হেড অফিসে জমা হয়নি। জমি কিনতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়েছে। তবে এটার দায় স্থানীয় কর্মচারী আবু সাঈদ সবুজের।’ অন্যদিকে দায় অস্বীকার করে কর্মচারী আবু সাঈদ সবুজ বলেন, ‘গ্রাহকদের পাওনা টাকার অঙ্কটা মাত্র ২৬ লাখ টাকা, যার কিছু অংশ পরিশোধ করা হয়েছে। আমি তো সেখানে মাত্র একজন কর্মচারী ছিলাম।’

টাকা ফেরত ও প্রতারকদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন কলারোয়ার সর্বস্তরের ভুক্তভোগী জনগণ।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!