× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০৬:০৫ এএম

১৭ দিন পর শূন্যরেখা থেকে উধাও তিন যুবক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০৬:০৫ এএম

১৭ দিন পর শূন্যরেখা  থেকে উধাও তিন যুবক

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ইজলামারী ভুন্দুরচর সীমান্তে টানা ১৭ দিন শূন্যরেখায় অবস্থান করার পর তিন যুবককে হঠাৎ দেখা যাচ্ছে না। গতকাল বুধবার ভোর থেকে সীমান্তে তারা উধাও রয়েছেন। গত ১৪ জুন ভোরে রৌমারী সদর ইউনিয়নের ইজলামারী ভুন্দুরচর সীমান্তের ১০৬৬ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে কালাপানি-জিঞ্জিরাম নদীর সেতুর নিচ দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী তিন যুবককে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রুহুল আমিন বলেন, গতকাল সকাল থেকে সীমান্তে অবস্থানরত ওই তিন যুবককে আর দেখা যাচ্ছে না। বিষয়টি বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) ইজলামারী ক্যাম্প সদস্যদের জানানো হলে তারাও ওই তিনজনের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি।

বিভিন্ন মাধ্যমে জানা গেছে, নিখোঁজ তিনজন হলেন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার কাউকান্দি গ্রামের মো. জহিরুল ইসলাম (২৬), নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সাওতা গ্রামের মো. পারভেজ মিয়া (২১) এবং ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কাউছিয়া গ্রামের মো. নাঈম আহমেদ (২২)। তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর আটক হন। পরে বিএসএফ তাদের বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করলে বিজিবির বাধার মুখে তারা দীর্ঘ ১৭ দিন শূন্যরেখায় অবস্থান করেন।

জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক হাসানুর রহমান বলেন, শূন্যরেখায় অবস্থানরত তিন তরুণকে বুধবার ভোর থেকে আর দেখা যাচ্ছে না। তাদের অবস্থান নিশ্চিত করতে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিজিবি প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছে এবং সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

১৪ জুন রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ আরও ছয়জনকে পুশইনের চেষ্টা করে। স্থানীয়দের বাধা ও বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি। ছয়জনের মধ্যে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর মানবিক বিবেচনায় বিল্লাল হোসেন, তার স্ত্রী সুমি আক্তার এবং তাদের দুই সন্তানকে পরে রৌমারী থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। কয়েক দিন পর একই দলের সজীব ও হিমেল নামের অপর দুজন সেখান থেকে চলে যান।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!