× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশেষ প্রতিনিধি 

প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০২৬, ০৬:১০ এএম

ঘুষ নিতে গিয়ে দুদকের জালে 

বেবিচক কর্মকর্তার  ৫ বছরের কারাদণ্ড 

বিশেষ প্রতিনিধি 

প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০২৬, ০৬:১০ এএম

বেবিচক কর্মকর্তার  ৫ বছরের কারাদণ্ড 

ঘুষ গ্রহণের সময় হাতেনাতে ধরা পড়ার প্রায় সাড়ে ছয় বছর পর দ- পেলেন বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালট্যান্ট এইচ এম রাশেদ সরকার। দুর্নীতির এক মামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদ- দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দ-প্রাপ্ত আসামিকে ১ লাখ টাকা অর্থদ-, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদ- ভোগ করতে হবে। আদালত অর্থদ-ের সমপরিমাণ টাকা অভিযোগকারীকে প্রদানের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার বিবরণ ও রায় সূত্রে জানা যায়, মামলার সময় দ-প্রাপ্ত এইচ এম রাশেদ সরকার জামিনে ছিলেন। গতকাল রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে আদালত সাজা পরোয়ানা জারি করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, রাকিব হাসান নামের এক ব্যক্তি ২০১৮ সালে বেবিচকের কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্সের (সিপিএল) প্রথম ধাপ ‘এয়ার ল’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তী ধাপ ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষার জন্য তিনি ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর ৪ হাজার টাকা ফি জমা দিয়ে আবেদন করেন। কিন্তু অভিযুক্ত রাশেদ সরকার তার ক্ষমতা ব্যবহার করে রহস্যজনক কারণে অনলাইন সিস্টেমে ওই আবেদন বাতিল করে দেন। পরবর্তীতে ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে রাকিবের কাছে ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন রাশেদ।

ভুক্তভোগী বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) অবহিত করেন। ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের একটি রেস্তোরাঁয় (বিএফসি) ঘুষের টাকা লেনদেনের সময় দুদকের ওত পেতে থাকা ফাঁদ টিমের সদস্যরা রাশেদ সরকারকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ ঘটনায় ওই দিনই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা করা হয়।

মামলাটির তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৬ জুন দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালাম আদালতে চার্জশিট জমা দেন। ২০২৩ সালের ৬ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিচার চলাকালীন ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। আসামি নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দিলেও শেষ পর্যন্ত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে এই দ- দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলো। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!