× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মাঠে ময়দানে ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০২৬, ০৭:০৫ এএম

কোয়ার্টারের আগে আর্জেন্টিনাকে স্বস্তি দিচ্ছে যে পরিসংখ্যান

মাঠে ময়দানে ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০২৬, ০৭:০৫ এএম

কোয়ার্টারের আগে আর্জেন্টিনাকে  স্বস্তি দিচ্ছে যে পরিসংখ্যান

বিশ্বকাপে ৪৮ দলের লড়াই ধাপে ধাপে নেমে এসেছে শেষ আটে। এখন থেকে প্রতিটি ম্যাচই বাঁচা-মরার। গতকাল রাত থেকেই শুরু হয় কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই। এই পর্যায়ে প্রতিপক্ষকে হারানোর কৌশলের পাশাপাশি দলগুলোর ভাবনায় রয়েছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলুদ কার্ডের হিসাব।

কোয়ার্টার ফাইনালে হলুদ কার্ড দেখলে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যেতে পারেন। তাই মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি শৃঙ্খলাও হয়ে উঠেছে বড় চ্যালেঞ্জ। এই দিক থেকে সবচেয়ে স্বস্তিতে আছে বর্তমান বিশ^চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। কোয়ার্টার ফাইনাল শুরুর আগে দলটির মাত্র একজন ফুটবলারের নামের পাশেই রয়েছে হলুদ কার্ড। ডিফেন্ডার গঞ্জালো মন্টিয়েল সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে আরেকটি হলুদ কার্ড দেখলে সম্ভাব্য সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না। তবে দলের অন্য কোনো ফুটবলার এমন ঝুঁকিতে না থাকায় স্বস্তিতে কোচিং স্টাফ।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপপর্বে পাওয়া হলুদ কার্ড নকআউট পর্বে বহাল থাকে না। তবে শেষ ৩২ ও শেষ ষোলোতে যারা হলুদ কার্ড দেখেছেন, তারা কোয়ার্টার ফাইনালে আবার হলুদ কার্ড দেখলে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়বেন। অর্থাৎ সেমিফাইনালে তাদের আর মাঠে নামা হবে না।

শৃঙ্খলার দিক থেকেও এবার নজর কাড়ছে আর্জেন্টিনা। পাঁচ ম্যাচে ৫৯টি ফাউল করেও তারা মাত্র তিনটি হলুদ কার্ড দেখেছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতি ১৯ দশমিক ৭টি ফাউলের বিপরীতে একটি করে হলুদ কার্ড পেয়েছে দলটি।

অবশ্য এই পরিসংখ্যানে আর্জেন্টিনার চেয়েও এগিয়ে আছে নরওয়ে। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম, মাত্র দুটি হলুদ কার্ড দেখেছে তারা। ৪৮টি ফাউলের বিপরীতে দুটি হলুদ কার্ড পাওয়া নরওয়ের গড়ে প্রতি ২৪টি ফাউলের পর একটি করে হলুদ কার্ড হয়েছে।

অন্যদিকে হলুদ কার্ডের হিসাবে সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে ইংল্যান্ড। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আট দলের মধ্যে ইংলিশ ফুটবলারদের নামের পাশেই সবচেয়ে বেশি হলুদ কার্ড জমা হয়েছে। পাঁচ ম্যাচে ৫৪টি ফাউল করে তারা সাতটি হলুদ কার্ড দেখেছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতি ৭ দশমিক ৭টি ফাউলের জন্য একটি করে হলুদ কার্ড পেয়েছে দলটি।

এর ফলে নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের চারজন ফুটবলার নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকবেন। তাদের মধ্যে মিডফিল্ডের দুই গুরুত্বপূর্ণ তারকা ডেকলান রাইস ও জুড বেলিংহ্যামও আছেন। ম্যাচে আরেকটি হলুদ কার্ড দেখলেই সম্ভাব্য সেমিফাইনালে তাদের পাওয়া যাবে না। তাই ইংল্যান্ডকে কেবল প্রতিপক্ষের আক্রমণই নয়, মাঠে নিজেদের নিয়ন্ত্রণেও রাখতে হবে।

অন্যদিকে নরওয়ের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক। দলটির শুধু অ্যান্তোনিও নুসোর নামের পাশেই একটি হলুদ কার্ড রয়েছে। বাকি কোনো ফুটবলার এখনো সতর্কবার্তা পাননি। ফলে নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা ছাড়াই দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড় কোয়ার্টার ফাইনালে নামতে পারবেন।

বিশ্বকাপের শেষ আটের লড়াইয়ে তাই কৌশল, পারফরম্যান্স ও মানসিক দৃঢ়তার পাশাপাশি হলুদ কার্ডের হিসাবও হয়ে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ সমীকরণ। একটি অসতর্ক মুহূর্তই কোনো দলের সেমিফাইনালের পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা এনে দিতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!