× UCB Sticker Card
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০১:৪০ এএম

২১ বছর পর হত্যা  মামলার রায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড 

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০১:৪০ এএম

২১ বছর পর হত্যা  মামলার রায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড 

২১ বছর আগে রাজধানীর কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে শফিকুল আলম ওরফে শফিক নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার মামলায় দুজনের মৃত্যুদ-ের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। গতকাল রোববার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- করা হয়।

মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামিরা হলেনÑ সোহেল রানা ওরফে কালু ও নাজিম উদ্দিন ওরফে নাজিম ওরফে নজু। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর খলিলুর রহমান খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, আসামিরা পেশাদার অপরাধী। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। একজন সম্ভাবনাময় শিক্ষিত যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাতের মাধ্যমে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। তাই আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া দরকার।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০০৫ সালের ২২ জুন ভোর সোয়া ৪টার দিকে ভুক্তভোগী শফিক বগুড়া থেকে এস আর পরিবহনে ঢাকা কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে নেমে তার বন্ধুর বাসায় যাওয়ার উদ্দেশে রওনা করেন। এশিয়া সিনেমা হলের সম্মুখে পৌঁছলে তিন আসামি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তার পথরোধ করে দাঁড়ায়। এরপর তারা তাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার কালে ভুক্তভোগীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আকবর আলী বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার পর আসামি মো. সোহেল রানা ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে সে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয়। জামিন নিয়ে তিনি পলাতক হন। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০০৬ সালের ৫ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক মো. রেজাউল করিম আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরে একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। মামলাটি বিচারকালে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!