× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম

স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা মামলায় চাকরি হারালেন শিক্ষক জাহাঙ্গীর

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বগুড়ার ধুনট উপজেলার ছাতিয়ানী রোকেয়া ওবেদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (বিজ্ঞান) জাহাঙ্গীর আলমকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বেতন-ভাতাও বন্ধ করা হয়েছে। স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার মামলায় আদালতে সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ব্যবস্থা নিয়েছে।

মামলা ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাঁচথুপি গ্রামের সিরাজুল হকের মেয়ে মিনা খাতুনের সঙ্গে ২০০৬ সালে একই উপজেলার কাশিয়াহাটা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে এক কন্যাসন্তানের জন্ম হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে জাহাঙ্গীর আলম তার স্ত্রী মিনা খাতুনকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর মিনা খাতুন বাদী হয়ে বগুড়া আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে ২০২২ সালের ৭ নভেম্বর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

মামলার বিচার শেষে ২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর আদালত জাহাঙ্গীর আলমকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে ২০২৫ সালের ৮ নভেম্বর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠায়।

তবে সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পরও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর উচ্চ আদালত থেকে এক বছরের জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি পুনরায় বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। এমনকি কারাগারে থাকা সময়ের বেতন-ভাতাও উত্তোলন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় মিনা খাতুন ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে ৭ জুলাই জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশনার আলোকে জাহাঙ্গীর আলমকে চূড়ান্তভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় এবং তার বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মাদ বলেন, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী চাকরি বিধিমালা অনুসরণ করে সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

Link copied!