× UCB Sticker Card
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬, ০১:৪৭ এএম

অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলছে মেটলাইফ

মেটলাইফের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ গ্রাহকের

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬, ০১:৪৭ এএম

মেটলাইফের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ গ্রাহকের

মেটলাইফ ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে বিমা দাবির অর্থ পরিশোধ না করে প্রতারণার চেষ্টা ও হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন বগুড়ার সান্তাহারের বাসিন্দা মরহুম জালাল হোসেনের মেয়ে ও মনোনীত উত্তরাধিকারী (নমিনি) মোছা. চুমকি আক্তার। গতকাল রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, বাবার মৃত্যুর প্রায় চার বছর পার হলেও এখনো বিমা দাবির অর্থ পাননি। বরং ৪৪ লাখ টাকার দাবির বিপরীতে মাত্র ৪৪ হাজার টাকা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

চুমকি আক্তার বলেন, তার বাবা মেটলাইফে একটি জীবন বিমা পলিসি গ্রহণ করেছিলেন। ২০২২ সালে তিনি মাসিক প্রায় ২২ হাজার টাকা করে দুটি কিস্তি পরিশোধের পর মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর নমিনি হিসেবে তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে বিমা দাবি করেন। পরে মেটলাইফ থেকে একটি চিঠিতে জানানো হয়, পলিসি গ্রহণের সময় ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল, তাই দাবি পরিশোধ করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, তার বাবার গার্ডিয়ান ও সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে করা অন্য দুটি বিমা বা সঞ্চয় সুবিধার অর্থ কোনো জটিলতা ছাড়াই পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু শুধু মেটলাইফই দাবি পরিশোধে নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করছে।

সংবাদ সম্মেলনে চুমকি আক্তার আরও অভিযোগ করেন, আইনি নোটিশ পাঠানোর পর মেটলাইফের মতিঝিল কার্যালয়ে গেলে ‘আলি’ নামে এক কর্মকর্তা তাকে মামলা না করার পরামর্শ দিয়ে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। পরে নতুন ব্যাংক হিসাব নম্বরও সংগ্রহ করা হয়। তার দাবি, পরবর্তীতে আইনজীবীর মাধ্যমে জানতে পারেন, ৪৪ লাখ টাকার মূল বিমা দাবির পরিবর্তে মাত্র ৪৪ হাজার টাকা পরিশোধের কাগজপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এ বিষয়ে কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ওই টাকাই তার হিসাবে জমা হবে।

চুমকি আক্তার বলেন, ‘আমি কখনো ৪৪ হাজার টাকা নেওয়ার জন্য সম্মতি দিইনি। এটি ছিল শুধু জমা দেওয়া প্রিমিয়ামের অর্থ। অথচ কৌশলে কম টাকায় পুরো বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়েছে।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবাদ জানাতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তার মূল কাগজপত্র ফেরত দেননি। বরং আইনজীবীর মাধ্যমে যা করার করতে বলেন। পরে ফোনেও যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে ব্লক করে দেওয়া হয়। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষসহ (আইডিআরএ) সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার অভিযোগ করলেও কোনো কার্যকর প্রতিকার পাননি। সংবাদ সম্মেলনে মেটলাইফের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আলি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি এবং গ্রাহকের ন্যায্য বিমা দাবি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ৪৪ লাখ টাকার দাবি আদায়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান চুমকি আক্তার।

গতকাল রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মেটলাইফের হেড অব কমিউনিকেশনস সাইফুর রহমান বলেন, বিমা দাবি দ্রুত ও সহজে পরিশোধের বিষয়ে মেটলাইফ সব সময়ই তৎপর। জীবন বিমা খাতে ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ পরিমাণ বিমা দাবি পরিশোধ করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। তিনি আরও বলেন, কোনো বিমা দাবি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময়, তথ্য বা অনুসন্ধানের প্রয়োজন হলে তা গ্রাহককে সুস্পষ্টভাবে জানানো হয়। আলোচিত ঘটনায়ও এর ব্যতিক্রম হয়নি। মেটলাইফের দাবি, সংশ্লিষ্ট পলিসি থেকে প্রাপ্য অর্থের বিষয়ে গ্রাহককে আগেই পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছিল। তবে গ্রাহক যে পরিমাণ অর্থ দাবি করছেন, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় যেকোনো তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য মেটলাইফ প্রস্তুত আছে বলেও বিবৃতিতে বলা হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!