ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইসরায়েল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলায় জড়িতদের জনসম্মুখে শাস্তি ও মৃত্যুদ- কার্যকরের আইন পাস করেছে দেশটির পার্লামেন্ট। ১২০ সদস্যের আইনসভায় বিপুল সমর্থনে আইনটি অনুমোদিত হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, নতুন এই আইনের মাধ্যমে মৃত্যুদ- কার্যকর আরও সহজ হয়ে যাবে এবং ন্যায়বিচার প্রশ্নের মুখে পড়বে। ফিলিস্তিনি সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এটি দমননীতির নতুন ধাপ। একই সময়ে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ ও ভূমি দখল বাড়িয়েছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। হাজার হাজার জলপাইগাছ কেটে ফেলা হয়েছে এবং কৃষিজমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।
ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ প্রকাশ্যেই বলেছেন, ‘ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ধারণা ধ্বংস করাই তাদের লক্ষ্য।’
এদিকে ১৯৯৩ সালের ঐতিহাসিক ওসলো চুক্তি বাতিলের উদ্যোগও শুরু হয়েছে। ইসরায়েলি পার্লামেন্টের একটি কমিটি চুক্তি বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে আরও দুর্বল করবে। পশ্চিম তীরের নাবলুসে অভিযান চালিয়ে অন্তত সাতজন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়িঘরে তল্লাশি ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। এ অবস্থায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন পশ্চিম তীরে সহিংসতায় জড়িত ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী ও হামাস নেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্যে পৌঁছেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন