ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

অবসরের আগে পদোন্নতি কনস্টেবল-এএসআইদের

সাইফ বাবলু
প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৬, ০৫:০৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত কল্যাণ সভায় পুলিশের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেলের দাবি জানিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। একই সঙ্গে ওভারটাইম ও ঝুঁকি ভাতা চেয়েছেন তারা। এ ছাড়া কনস্টেবল থেকে এএসআইরা চাকরি জীবনের শেষ পর্যন্ত ধাপে ধাপে অনারারি পদোন্নতির দাবিও জানিয়েছেন। পাশাপাশি পুলিশের আবাসন সংকট নিরসন এবং লজিস্টিক সাপোর্ট বাড়ানোর দাবি উঠেছে। এসব দাবি-দাওয়ার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি-দাওয়া মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

গতকাল রোববার পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ অডিটরিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত পুলিশের কল্যাণ সভা থেকে এসব দাবিসহ একগুচ্ছ দাবি উত্থাপন করা হয়। কল্যাণ প্যারেডে একজন কনস্টেবল, একজন ইন্সপেক্টর এবং একজন ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা কথা বলেন। কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), অতিরিক্ত আইজিপিসহ পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা।

সূত্র জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তৃতা করেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম।

কনস্টেবল থেকে এএসআইদের প্রতিনিধি হিসেবে একজন কনস্টেবল কথা বলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সেনাবাহিনীতে সৈনিকরা অবসরের আগে অনারারি পদোন্নতি পান। এ পদোন্নতির সঙ্গে সরকারের অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ অনারারি পদোন্নতি দেওয়া হলেও এখানে বাড়তি কোনো অর্থ দিতে হয় না। কনস্টেবল এবং এএসআইদের অবসরে যাওয়ার আগে অনারারি পদোন্নতি দেওয়া হলে সরকারের কোনো অর্থ খরচ হবে না বা বাড়তি অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কনেস্টবল থেকে যারা অবসরে যাবেন তাদের অনারারি এএসআই পদোন্নতি দেওয়া এবং এএসআই থেকে যারা অবসরে যাবেন তাদের অনারারি এসআই পদোন্নতি দেওয়ার দাবি করা হয়।  প্রধানমন্ত্রী এ দাবিতে সম্মতি প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া দাবি উঠেছে বিচার বিভাগ ও সেনাবাহিনীতে স্বতন্ত্র পে-স্কেল চালু রয়েছে। পুলিশের জন্য স্বতস্ত্র পে-স্কেল চালু করা হলে পুলিশের মধ্যে পেশাদারিত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে। যুক্তি দিয়ে বলা হয়, দেশ ও জনগণের জন্য বাংলাদেশ পুলিশ সবচেয়ে বেশি সেবা দিয়ে থাকে। তাই সেনাবাহিনী ও বিচার বিভাগের মতো পুলিশের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেল চালু করার দাবি তুলে ধরা হয়।

ইন্সপেক্টরদের পক্ষ থেকে ডিএমপির বিমানবন্দর থানার ওসি ও পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার  বলেন, সারা দেশে ৩০ হাজার এসআই রয়েছে। মামলার তদন্তের জন্য তাদের দূর-দূরান্তে ছুটে যেতে হয়। এ ছাড়া যেকোনো অপরাধের ঘটনায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যাওয়া, টহল ডিউটি করতে হয়। সারা দেশে পুলিশের জন্য মাত্র আট হাজার মোটর সাইকেল আছে। মামলার তদন্তের বেশির ভাগ কাজ করেন থানার উপ-পরিদর্শকরা (এসআই)। কিন্তু তাদের যাতায়াতব্যবস্থার জন্য যানবাহন অপ্রতুল। মামলার তদন্ত কাজে গতি আনতে ও যাতায়াত ব্যবস্থার সমাধানে মোটরসাইকেল কেনার জন্য সুদমুক্ত লোন ও মোটরসাইকেলের জ্বালানি খরচের বিল দাবি করা হয়। কল্যাণ সভার আলোচনায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি করে বলেন, তদন্ত ব্যয় বেড়েছে। পুলিশের বাজেটে মামলার তদন্ত ব্যয় বাড়িয়ে দিলে তদন্তকাজে আরও গতি ফিরবে। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষকদের যে ঋণ দিচ্ছি সেটি সুদযুক্ত ঋণ দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে পুলিশকে সুদমুক্ত ঋণে মোটরসাইকেল কেনার বিষয়টি কতটা যুক্তির। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক থাকলে এ দাবি বিবেচনা করা হবে। তবে সুদমুক্ত ঋণে না হলেও সার্ভিস চার্জের মাধ্যমে মোটরসাইকেল দেওয়া যেতে পারে।

ডিআইজিদের পক্ষ থেকে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের মেট্রো অঞ্চলের প্রধান (সিটি এসবি) মীর আশরাফ বলেন, পুলিশের অবকাঠামো উন্নয়ন, লজিস্টিক সাপোর্ট বাড়ানোর জন্য বাজেট বাড়ানো প্রয়োজন। এ ছাড়া পুলিশের আবাসন সংকট নিরসন হওয়া প্রয়োজন।

কল্যাণ সভায় অংশ নেওয়া পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, কল্যাণ সভায় কনস্টেবল, ইন্সপেক্টর এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে একজন ডিআইজি কথা বলেছেন। তাদের দাবি-দাওয়া শোনার পর আপাতত অনারারি পদোন্নতি দেওয়ার দাবি পূরণ করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যান্য দাবি-দাওয়ার বিষয়গুলো শুনে সমাধানের আশ^াস দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সাধারণ মানুষ যেন থানায় গিয়ে তাদের ন্যায্য সেবা পায়। পুলিশকে মনে রাখতে হবে রাষ্ট্র জনগণের। কোনো মানুষ থানায় গিয়ে যাতে বুঝতে পারে তিনি রাষ্ট্রের মালিক হিসেবে থানায় আইনি সহায়তা পাচ্ছেন।

পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পুলিশের কর্মঘণ্টার কোনো ঠিক নেই। ডিউটি রোস্টারের বাইরে প্রায়দিনই ওভারটাইম করতে হয়। এ জন্য একজন কর্মকর্তা ওভারটাইম ডিউটি বাবদ ভাতার দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঝুঁকি ভাতার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কারণ পুলিশকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাগী অপরাধীসহ অনেক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হয়। এ ছাড়া অপরারেশনাল কাজেও পুলিশকে চরম ঝুঁকি নিতে হয়। একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, পুলিশের থানা, ব্যারাক, ফাঁড়িসহ বিভিন্ন ইউনিটের অপারেশনাল কাজের জন্য নতুন ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে উন্নয়ন প্রকল্প বাবদ অর্থ বরাদ্দ দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। সেটি নতুন করে চালুর আর্জি জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সদস্যদের উত্থাপিত দাবি-দাওয়ার বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়নের আশ্বাসও দিয়েছেন।

পুলিশের ডিআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা বলেন, পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং ভাষণ দেবেন। সেখানে পুলিশের এসপি থেকে শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নিবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পুলিশের মূল দাবিগুলো তুলে ধরা হবে। বিশেষ করে বিদেশি মিশনগুলোতে পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়ার দাবি তুলে ধরা হবে। এ ছাড়া সরকারি ৬টি প্রতিষ্ঠানে পুলিশ প্রেষণে নিয়োগের দাবি তুলবে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং বিআইডব্লিউটিএ পুলিশ কর্মকর্তাদের পদায়নের দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে। অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে দেশের সর্বত্র সাইবার সুরক্ষা জোরদার করা এবং সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পুলিশে সাইবার ক্রাইম ইউনিট প্রতিষ্ঠা; কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিদ্যমান পুলিশ হাসপাতালগুলোকে শক্তিশালী করতে একটি পুলিশ মেডিকেল সার্ভিস প্রতিষ্ঠা; পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে সিলেট এবং বরিশাল বিভাগে দুটি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) এবং চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপন; পুলিশ সদস্যদের সুস্থ দেহ, শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে তাদের অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং ক্রীড়া সক্ষমতার মান আরও বাড়াতে স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণ; প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, বিদেশে মানবপাচার, নির্যাতন ও বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধ করতে, একই সঙ্গে দেশে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ব্যবস্থাপনা আরও উন্নীতকরণসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ মিশন-দূতাবাসে পুলিশ লিয়াজোঁ অফিসার নিয়োগ করা। এ ছাড়া সাধারণ পুলিশিংয়ের পাশাপাশি দেশে উগ্রবাদ, মাদক ও অস্ত্রপাচার, মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত গমনাগমনের জন্য বিশেষায়িত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি এভিয়েশন পুলিশ ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশ বাহিনীকে একটি জনকল্যাণমুখী ও আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের আর্থিক সঙ্গতি ও সক্ষমতা বিবেচনায় তাদের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে।

এদিকে কল্যাণ সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমানে অনেক পুলিশ কনস্টেবল ৪০ বছর চাকরি করে অবসর গ্রহণ করেও পরবর্তী পদোন্নতি পান না। সেজন্য বিশেষ নীতিমালা ও সন্তোষজনক চাকরির রেকর্ড বিবেচনায় অবসরকালে কিছু সংখ্যক পুলিশ সদস্যকে কনস্টেবল থেকে অনারারি সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পদে; সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) থেকে অনারারি উপপরিদর্শক (এসআই) পদে এবং উপপরিদর্শক (এসআই) থেকে অনারারি পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) পদে পদোন্নতি দেওয়া হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে অতিরিক্ত কর্মঘণ্টায় দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের জন্য বিশেষ নীতিমালার ভিত্তিতে ওভারটাইম ভাতা প্রদানের কথা ভাবছে সরকার, যা তাদের মনোবল বৃদ্ধি ও সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। এক্ষেত্রে পুলিশের ইন্সপেক্টর থেকে নি¤েœ কনস্টেবল পদ পর্যন্ত ওভারটাইম ভাতা বিবেচনা করা হতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা ও অধিক কর্মচাপ বিবেচনায় পুলিশ সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালকে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিপূর্বক আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে আরও উন্নত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ভবন/কার্যালয় নির্মাণ ও আবাসন সমস্যা দূরীকরণে বর্তমান সরকার আন্তরিক। এক্ষেত্রে ভূমি অধিগ্রহণসহ প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করা সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিগত দুই মাসে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলছে। তথ্য-প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে অপরাধের ধরন ও মাত্রা বদলেছে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জন করতে না পারলে অপরাধ দমনে কাক্সিক্ষত লক্ষ্য ও সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। জুয়া, অনলাইন জুয়া, সাইবার ক্রাইম ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে আরও যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য এরই মধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করা হবে। মব কালচার পুরোপুরি বন্ধ করার লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনকে সংশোধন ও সংযোজন করে যুগোপযোগী করা হবে। মন্ত্রী এ সময় পুলিশ বাহিনীকে জনপ্রত্যাশা ও জনআকাক্সক্ষা অনুয়ায়ী দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গতকাল রোববার সকালে রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন। তিনি পুলিশের বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ ও কুচকাওয়াজ প্রদর্শনী উপভোগ করেন এবং পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির স্টল পরিদর্শন করেন।